Rohingya

ফের সমুদ্রের মাঝে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাঠাল বাংলাদেশ

শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে প্রবল চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২১, ১২:১৪

options
link
ফের সমুদ্রের মাঝে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাঠাল বাংলাদেশ

সুকুমার সরকার, ঢাকা: আন্তর্জাতিক চাপ উড়িয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচরে পাঠানোর কাজ দ্রুত গতিতে চালাচ্ছে বাংলাদশ সরকার। বুধবার পঞ্চম দফায় রোহিঙ্গাদের (Rohingya) একটি দলকে সমুদ্রের মাঝে বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য, রাজধানী ঢাকায় গ্রেপ্তার ‘আনসার আল ইসলাম’-এর ৪ জঙ্গি]

এদিন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শরণার্থী শিবির থেকে পঞ্চম দফায় নোয়াখালির ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দেয় অন্তত ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গার একটি দল। আজ সকাল ন’টার দিকে চট্টগ্রামের বোট ক্লাব থেকে নৌবাহিনীর ছ’টি জাহাজে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দেন শরণার্থীরা। এর আগে চার দফায় দ্বীপটতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গাকে। স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সরকারি একটি সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক এমন প্রায় ২৩ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা পাওয়া গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগ থেকে প্রায় চার লক্ষ উদ্বাস্তু রোহিঙ্গা কক্সবাজারে অবস্থান করছিল। তারপর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে নতুন সাত-আট লক্ষ অসহায় মানুষ স্রোতের মতো আসতে থাকায় তখনই তাদের আবাসস্থল-সহ অন্যান্য ব্যবস্থাদি যে রকম করার প্রয়োজন ছিল তাৎক্ষণিকভাবে সেভাবে করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই ক্যাম্পের ভিতরে এখন বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ঢুকেছে, অবাধে মাদক ও নারী পাচারের মতো চরম সব অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সুতরাং শুধু বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বার্থে নয়, রোহিঙ্গা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত লোকজনের কল্যাণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে ভাসানচরে তারা গেলে সেটির বিরুদ্ধে কেন প্রপাগান্ডা ও বাঁধার সৃষ্টি করা উচিত নয় বলেই মনে করছে হাসিনা প্রশাসন।

Advertisement

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে এক লক্ষ রোহিঙ্গার জন্য ভাসানচরে উন্নতমানের আবাসস্থল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা ঘর, আধুনিক সেনিটারি পদ্ধতি, বিশুদ্ধ খাবার জল, স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য হাসপাতালে ও ক্লিনিং এবং বাচ্চাদের শিক্ষাদানের জন্য সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, মিডিয়ার কল্যাণে এর সবকিছু সবাই দেখেছেন। ভাসানচরে ক্যাম্পের ভিতরে কক্সবাজারের মতো নিরাপত্তা সমস্যার উদ্ভব যাতে না ঘটে তার জন্য শতভাগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগেই বাংলাদেশে মতুয়াদের তীর্থে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.