Bangladesh

দুর্গাপুজোয় হামলার আশঙ্কা, বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আসরে মহিলা পরিষদ

পুলিশ-প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জবাবদিহির ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২, ১৫:১০

options
link
দুর্গাপুজোয় হামলার আশঙ্কা, বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আসরে মহিলা পরিষদ

সুকুমার সরকার, ঢাকা: দুর্গাপুজোয় মৌলবাদীদের হামলার আশঙ্কা! সনাতন সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আসরে নেমেছে বাংলাদেশের মহিলা পরিষদ। তাদের দাবি, সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি, পুলিশ-প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জবাবদিহির ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে মহিলা পরিষদ। সেখানে সংগঠনটির সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, “আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখুন।” হাসিনা সরকারের প্রতি তাঁর অনুরোধ, “অন্তত ২০২২ সালের দুর্গাপুজোয় (Durga Puja) দেখিয়ে দিন যে, আপনারা অসাম্প্রদায়িকতার ঝাণ্ডা তুলে ধরেছেন, কোনও মন্দিরে কোনও গন্ডগোল হয়নি। এ জন্য জনপ্রতিনিধিদের মাঠে নামান। তাঁদের বলুন, যাঁর এলাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটবে, তাঁকে সংসদে জবাবদিহি করতে হবে। পুলিশ-প্রশাসনকে বলুন, যাঁর দায়িত্বে থাকা এলাকায় এ রকম ঘটনা ঘটবে, তাঁকে জবাবদিহি করতে হবে। তাহলে এ ঘটনার সমাধান করা যাবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আরও রসেবশে শারদোৎসব, পশ্চিমবঙ্গে ৫০০ টন ইলিশ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ]

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, “সাম্প্রদায়িক উসকানিতে দেশে হিংসার ঘটনা ঘটছে। গতবছর ও তারও আগে এমন দুঃসহ অভিজ্ঞতা সংখ্যালঘুদের হয়েছে। দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রশাসনের উদাসীনতা রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। কিন্তু তাদের আইনের আওতায় আনা হয় না। বিচারের ঊর্ধ্বে থাকার কারণে তারা উৎসাহিত হচ্ছে। এসব ঘটনা প্রতিহত করতে হবে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত বছর বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর মণ্ডপে একের পর এক হামলা চালায় মৌলবাদীরা। তারপর দেশজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কয়েকদিন আগেও ঢাকায় হাসিনা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ এবং বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেছিলেন, “আমাদের সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়কে আমি এটাই বলব আপনারা এদেশের মানুষ। কাজেই নিজেদেরকে সংখ্যালঘু মনে না করে, মনে করবেন আপনারা এই দেশেরই নাগরিক। তাই সমানভাবে নাগরিক অধিকার আপনারা ভোগ করবেন এবং আমরাও সেইভাবে আপনাদেরকে দেখতে চাই।”

[আরও পড়ুন: মোমেনের পাশেই ভারত, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জয়শংকরের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.