Bangladesh

হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে ভারতের কূটনৈতিক সাহায্য চাইল বাংলাদেশ, কী জানালেন আইজিপি?

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ জানিয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগির হোসেন।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:০৪

options
link
হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে ভারতের কূটনৈতিক সাহায্য চাইল বাংলাদেশ, কী জানালেন আইজিপি?
হাদিহত্যার দুই ধৃতকে বাংলাদেশে ফেরাতে কুটনৈতিক সাহায্য নেওয়া হয়েছে, জানালেন আইজিপি। নিজস্ব ছবি

বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের নেতা তথা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন ফেলেছিল। ঘটনার তিনমাস পর ভারতের বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দু’জন। ধৃত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগির হোসেনকে এবার ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলি হোসেন ফকির। সোমবার রাজধানী ঢাকার পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

Advertisement
বাংলাদেশের পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলি হোসেন ফকির। নিজস্ব ছবি

হাদিহত্যায় ধৃত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগির হোসেনকে এবার ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলি হোসেন ফকির।

ভারতের গোয়েন্দা সূত্র তথা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ, যাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে হাদিহত্যার জড়িত দু’জন, জানিয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগির হোসেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাদের সঙ্গে থাকা আলমগির হোসেন স্বীকার করেছে, তারা শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবস্থানের জন্য বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানী ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগির হোসেন। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসার জন্য হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি। এবার তার খুনিরা ধরা পড়ায় বাংলাদেশের মাটিতে এধরনের অপরাধের বিচার হবে এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে বড়সড় কোনও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে অনুমান করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন