Bangladesh

সাজা শেষেও ফেরা হল না দেশে, বাংলাদেশের কারাগারে মৃত্যু ভারতীয়র

দুই দেশের মধ্যে আইনি জটিলতার দরুন জেলেই থাকতে হচ্ছিল তাঁকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২১, ০৯:৫৬

options
link
সাজা শেষেও ফেরা হল না দেশে, বাংলাদেশের কারাগারে মৃত্যু ভারতীয়র

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের (Bangladesh) কারাগারে মৃত ভারতীয় নাগরিক। অবৈধভাবে সে দেশে প্রবেশ করার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর সাজার মেয়াদ শেষ হলেও দুই দেশের মধ্যে আইনি জটিলতার দরুন জেলেই থাকতে হচ্ছিল তাঁকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অব্যাহত মৌলবাদীদের তাণ্ডব, এবার কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর]

জানা গিয়েছে, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভারতীয় নাগরিক সমীরের (৩০) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে স্নানে গিয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তারপর তাঁর মৃত্যু হয়। উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর জেলার গাইশ্রী থানার জুনেতাপুর শ্রীনগরের ধনেন্দ্র নাথের ছেলে সমীর। এই বিষয়ে যশোর কারাগারের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক তুহিন কান্তি খান জানান, সমীর রাঙামাটি জেলার ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। পুলিশ তাঁকে আটক করে মামলা দায়ের করে জেলে পাঠায়। ওই মামলায় রাঙামাটি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২০০৯ মার্চে সমীরকে একবছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর তিনি ফেনি কারাগারে ছিলেন। ফেনি থেকে সমীরকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলাদেশের তরফে দাবি করা হয়েছে, তাঁর সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে দেশে ফেরত পাঠাতে ভারত সরকারকে তিনবার চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নয়াদিল্লির তরফে কোনও জবাব আসেনি। ফলে কোনও সাড়া না মেলায় তাঁকে বাধ্য হয়ে কারাগারেই বন্দি রাখা হয়। এদিন সকালে স্নান করতে গিয়ে আচমকা তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। যশোর জেনারেল হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, সমীরকে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে করা কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, ভারত ও বাংলাদেশের জেলে দুই দেশেরই বহু বন্দি রয়েছে। তাদের সাজার মেয়াদ শেষ হলেও লালফিতার জটে ঘরে ফেরা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার দায়ী করে এসেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। সেই অভিযোগ যে মিথ্যা নয় তা ফের এক কয়েদির মৃত্যু প্রমাণ করল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে মায়ানমারকে চিঠি, ফের চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.