Muhammad Yunus

দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবেছিল ইউনুস প্রশাসন, দেশ গড়ার নামে প্রতারণা নোবেলজয়ীর!

তারেক রহমান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, দুর্ভাগ্যবশত ৫ আগস্টের পর গঠিত সরকারের নবীন সদস্যদের বিরুদ্ধে গত দেড় বছরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর কথার জবাবে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, "তিনি কোথায় দুর্নীতি করেছেন তার প্রমাণ দিতে হবে।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৩:২৫

options
link
দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবেছিল ইউনুস প্রশাসন, দেশ গড়ার নামে প্রতারণা নোবেলজয়ীর!
মহম্মদ ইউনুস। ফাইল ছবি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্নীতি নিয়ে সংসদে বিতর্কে জড়ালেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ তথা অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

Advertisement

তারেক রহমান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, দুর্ভাগ্যবশত ৫ আগস্টের পর গঠিত সরকারের নবীন সদস্যদের বিরুদ্ধে গত দেড় বছরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর কথার জবাবে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, “তিনি কোথায় দুর্নীতি করেছেন তার প্রমাণ দিতে হবে।” মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ অভিযোগ করেন। তার প্রতিবাদ জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা ছিলেন।

Advertisement

দেশের জন্য সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, “যদি সরকারে থেকে কাজ করতে হয় তাহলে অভিজ্ঞতা, সাহস, বুদ্ধিমত্তাও দরকার। বিএনপি এমন রাজনৈতিক দল, যারা ফেসবুকে রাজনীতি করে না।” তিনি আরও বলেন, “শুধু ‘বুট বাহিনী’, স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে ছোট করে, আজেবাজে কথা বলে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না। যদি ১৯৭১ সালে ফেসবুক বা সোশাল মিডিয়া থাকত, তাহলে দেশ স্বাধীন হত কি না, তা নিয়ে সন্দেহের কথা।”

Advertisement

মুক্তিযুদ্ধ সবকিছুর ঊর্ধ্বে- এমন মন্তব্য করে শামা ওবায়েদ বলেন, “আমি আমার সামনে বসা সংসদ সদস্য নাহিদ ও হাসনাতদের (হাসনাত আবদুল্লাহ) সেন্টিমেন্ট রিলেট করি; আমরাও চাই আমাদের সন্তানেরা এমন এক নতুন বাংলাদেশে বসবাস করুক, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, খুনের বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। আমরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে এই পার্লামেন্ট থেকেই গুণগত উন্নয়নের সূচনা হবে।”

শামা ওবায়েদের বক্তব্যের পরই বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম নিজের পাশাপাশি বিএনপির বর্তমান সরকারের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানেরও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগ যেহেতু উনি বললেন, ওঁরা সরকারে আছেন, ওঁদের এটা প্রমাণ করতে হবে। বিষয়টি জাতীয় সংসদে যেহেতু বলেছেন, তাই এখানেই প্রমাণ দিতে হবে। নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছেন? সে প্রমাণ আমি ওঁদের কাছে দাবি করছি। ‘এই বিতর্কের সুরাহা করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিদেশ প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে কারও নাম বলেননি।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, “আমরা যখন নতুন বাংলাদেশ ও নতুন প্রজন্মের কথা বলি, তখন শুধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হওয়ার রাজনীতি আশা করি না। দেশের জন্য কাজ করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.