রোহিঙ্গা গ্রামে হানা দিল ‘সারাপা’, রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একাধিক গ্রামবাসী

'আর ফেরত আসবেন না নিখোঁজরা।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৫৯

options
link
রোহিঙ্গা গ্রামে হানা দিল ‘সারাপা’, রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একাধিক গ্রামবাসী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাখাইন প্রদেশ থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা। অভিযোগ, রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধি দলের সামনে মুখ খোলার জন্য তাঁদের অপহরণ করেছে ‘সারাপা’ বা মায়ানমারের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। তবে অনেকের দাবি, গা ঢাকা দিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

[জলপাইগুড়িতে দাউদাউ করে জ্বলল ব্যালট, রাজারহাটে ভেজানো হল জল ঢেলে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই মায়নমারের রাখাইন প্রদেশে যায় নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ খতিয়ে দেখা ছিল তাদের উদ্দেশ্য। তবে দলটির সামনে বয়ান দিতে রাজি হয়নি কোনও রোহিঙ্গা গ্রামবাসী। অভিযোগ, প্রতিনিধি দলের সামনে কোনও কথা না বলার নির্দেশ দেওয়া হয় বার্মিজ সেনার তরফ থেকে। সেই নির্দেশ না মানলে হাতেনাতে ফল পাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় রোহিঙ্গাদের। ফলে প্রবল নির্যাতনের শিকার হলেও রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেননি কেউ। অবশেষে বহু চেষ্টার পর সামনে আসে মংডুর নলবইনা গ্রামের তিন কিশোর ও এক মহিলা। প্রতিনিধিদের তাঁরা জানান হত্যা, ধর্ষণের মতো নারকীয় ঘটনার কথা।

Advertisement

‘দ্য গার্ডিয়ান’ সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের মতে, নিরাপত্তা পরিষদের দলটির সঙ্গে ছিলেন বার্মিজ সেনার গোয়েন্দারা। তিন কিশোর ও মহিলার সঙ্গে প্রতিনিধিদের কথপোকথন ক্যামেরায় ধরে রাখেন তাঁরা। প্রতিনিধি দলটি চলে যাবার পরই গ্রামে হানা দেয় সারাপা ও বার্মিজ সেনা। গ্রামবাসীদের ভিডিও দেখিয়ে ওই মহিলা ও কিশোরদের হদিশ জানতে চায় তারা। সমস্ত গ্রাম ঘিরে তল্লাশি চালায় সরকারি বাহিনী। তবে খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ গ্রামবাসীদের। এক রোহিঙ্গা সাংবাদিক জানান ওই গ্রামবাসীদের পেলে হত্যা করবে বার্মিজ সেনা। তবে এমনও হতে পারে তাঁদের ইতিমধ্যে পাকড়াও করা হয়েছে। তেমনটা হলে কোনওদিনই আর ফেরত আসবেন না নিখোঁজরা।

[ইছাপুর অস্ত্র পাচার কাণ্ডে বিহার থেকে গ্রেপ্তার রাজেশ কুমার]

চলতি মাসের প্রথমদিকেই রাখাইন প্রদেশে যায় নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল। ইতিমধ্যে রিপোর্টও পেশ করেছে তারা। সেখানে সাফ বলা হয়েছে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। রাখাইনে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তারপরই মায়ানমারকে একহাত নেয় রাষ্ট্রসংঘ। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার জন্য সু কি সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এত কিছুর পরও নিজের দাবিতে অনড় বার্মিজ সেনা। কয়েকদিন আগেই প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন মায়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হাইয়ং। তিনি দাবি, বার্মিজ সেনার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা ও গণধর্ষণের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.