Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Arambagh Medical College

সাপের কামড়ে শরীর অসাড়, ফিরেও তাকায়নি ডাক্তার-নার্সরা! কিশোরীর মৃত্যুতে আরামবাগ হাসপাতালে ধুন্ধুমার

পরিবারের দাবি, কিশোরীর অবস্থার অবনতি দেখে ডাক্তার-নার্সদের কাছে কাকুতি-মিনতি করেন তারা। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৪:৫২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৪:৫২

options
link
সাপের কামড়ে শরীর অসাড়, ফিরেও তাকায়নি ডাক্তার-নার্সরা! কিশোরীর মৃত্যুতে আরামবাগ হাসপাতালে ধুন্ধুমার zoom
হাসপাতালে বিক্ষোভ কিশোরীর পরিবারের। নিজস্ব ছবি।

সাপের কামড়ে আক্রান্ত মেয়েকে নিয়ে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ছুটেছিল পরিবার। তবুও শেষ রক্ষা হল না! অভিযোগ, শনিবার রাত ৯ টা নাগাদ কিশোরীকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছলেও তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু হয়নি। এমার্জেন্সিতে দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা হয় তাকে। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হতে থাকে কিশোরীর শরীর। পরিবারের দাবি, কিশোরীর অবস্থার অবনতি দেখে পরিবারের সদস্যরা ডাক্তার-নার্সদের কাছে কাকুতি-মিনতি করেন। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। অভিযোগ,প্রায় ঘণ্টা দুয়েক পর তাকে ভর্তি নিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়। ততক্ষণে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। মৃত্যু হয় তার। এরপরই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়ে পরিবার।

রবিবার সকালেও হাসপাতালের সামনে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। আরামবাগ মেডিকেল কলেজে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে ঘেরাও করে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন মৃতের পরিবারের লোকজন। বিক্ষোভের মুখে পড়ে মৃতের পরিবারের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় ওই চিকিৎসককে। অন্যদিকে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে এক স্বাস্থ্যকর্মীকেও ধাওয়া করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁকে কোনো রকমে উদ্ধার করে ওয়ার্ড মাস্টারের রুমে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আরামবাগ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরী তমসী পাল দশম শ্রেণীর ছাত্রী। আরামবাগের বাদলকোনা এলাকায় তার বাড়ি। পরিবারের অভিযোগ, শনিবার রাতে সাপে কামড়ানোর পর সঙ্গে সঙ্গেই তাকে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, কোনওরকম চিকিৎসা করেননি কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। চিকিৎসার অভাবেই তার মৃত্যু হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে চিকিৎসক ও নার্সদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবারের লোকজন। যদিও কর্তব্যরত এক চিকিৎসক গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেন, সমস্তরকম চিকিৎসা ব্যবস্থাই ছিল, প্যানিক অ্যাটাকে আচমকা মৃত্যু হয়েছে ওই তরুণীর। যদিও চিকিৎসকের সাফাই মানতে নারাজ পরিবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.