Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Prashant Kishor

অবশেষে ভোট ময়দানে প্রশান্ত কিশোর, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনের গড়ে প্রার্থী হয়েই হুঙ্কার পিকের

একের পর এক দলকে ভোটে জেতার ব্রহ্মাস্ত্র বাতলে দিয়েছেন। এবার তিনি নিজে নামছেন নির্বাচনী রণাঙ্গনে। জানা গিয়েছে, বিজেপির দুর্গ বাঁকিপুরে উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর স্বয়ং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৬:২৪

options
link
অবশেষে ভোট ময়দানে প্রশান্ত কিশোর, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনের গড়ে প্রার্থী হয়েই হুঙ্কার পিকের zoom
চলতি মাসের শেষদিকে বাঁকিপুরে ভোট হবে।
Advertisement

একের পর এক দলকে ভোটে জেতার ব্রহ্মাস্ত্র বাতলে দিয়েছেন। এবার তিনি নিজে নামছেন নির্বাচনী রণাঙ্গনে। জানা গিয়েছে, বাঁকিপুরে উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর স্বয়ং। চলতি মাসের শেষদিকে বাঁকিপুরে ভোট হবে। রবিবার প্রাক্তন ভোটকুশলী ঘোষণা করলেন, জন সুরাজ পার্টির প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি নিজেই। এই প্রথমবার ভোটের ময়দানে দেখা যাবে পিকে’কে।

কয়েকদিন আগে থেকেই পিকে ইঙ্গিত করছিলেন, এবার তাঁকে ভোটে লড়তে দেখা যেতে পারে। সামনেই বিহারের বাঁকিপুরে উপনির্বাচন। বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীন ওই আসন থেকে বিধায়ক ছিলেন। এখন তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়েছে। নীতীন নবীনের ছেড়ে আসা ওই আসনটি বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির সেই শক্ত ঘাঁটি থেকেই গেরুয়া শিবিরকে চ্যালেঞ্জ করতে চান পিকে। সাফ জানিয়েছিলেন, “আমার ভোটে দাঁড়ানো যদি বাঁকিপুরের মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে ওদের হার নিশ্চিত করতে পারে, তবে আমি লড়তে তৈরি।”

Advertisement

রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রশান্ত কিশোরকে বাঁকিপুরের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন জন সুরাজের রাজ্য সভাপতি মনোজ ভারতী। আগামী ৩০ জুলাই বাঁকিপুরে ভোট। ৩ আগস্ট ভোটগণনা। ওইদিনই রাজনৈতিক ময়দানে প্রশান্ত কিশোরের ভাগ্য নির্ধারণ। প্রার্থী হয়ে তিনি বলেন, “বাঁকিপুরের মানুষ বিহারের মধ্যে সবচেয়ে ধনী এবং সবচেয়ে শিক্ষিত। তাঁরা সেরা প্রার্থীকে ভোট দিন। আমি বলতে পারি, দলের একমাত্র বিধায়ক হলেও বাকি ২৪২ জনকে হারিয়ে দিতে পারি।

উল্লেখ্য, বিহারে গত বছর নভেম্বরে যে বিধানসভা ভোট হয়েছিল, তাতে পিকের দলকে ফিরতে হয়েছিল শূন্য হাতে। তবে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ ভোট পায় জন সুরাজ। সেসময় পিকে নিজে ভোটের ময়দানে নামেননি। খড়্গহর কেন্দ্র থেকে লড়বেন বলে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত দিলেও শেষপর্যন্ত ভোট ময়দানে দেখা যায়নি প্রাক্তন ভোটকুশলীকে। আর সেটা যে তাঁর দলের ভোট সম্ভাবনায় সমূহ ক্ষতি করেছে বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্ভবত নিজের ভুল বুঝতে পেরেই পিকে এবার সরাসরি ভোট ময়দানে নামতে চলেছেন। তবে এবার একা নয়, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করতেও দেখা যেতে পারে তাঁকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.