সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও ব্যক্তি যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হন, তাহলে তিনি জনপ্রতিনিধি থাকতে পারবেন না। এমনকী সরকারি কোনও পদ বা দায়িত্বেও তাঁকে রাখা যাবে না। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবারই প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে একটা বৈঠক ছিল। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এদিন বৈঠকের পরে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সেই সময়ই তিনি এই কথা জানিয়েছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, নতুন যে ধারা যোগ করা হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট ১৯৭৩-এ সেটা অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের হলেই কোনও ব্যক্তি সাংসদ হিসেবে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সদস্য বা প্রশাসক হিসেবেও অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
প্রসঙ্গত, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সে দেশের নির্বাচন কমিশন। প্রকাশ্যে আনা হয়েছে নির্বাচনী রোডম্যাপ। এহেন পরিস্থিতিতে এদিনের বৈঠকের এমন সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এদিকে এদিনের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে ‘টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫’। এর ফলে ইন্টারনেট পরিষেবায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বিশ্বের বৃহত্তম তেল চুক্তি’, ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের
-
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৎস্যজীবীদের বড় সতর্কতা
-
শ্রীলঙ্কায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া! তড়িঘড়ি ভারতীয় পেসারকে কাউন্টি খেলতে পাঠাচ্ছে বোর্ড, কেন?
-
প্রেসিডেন্সি জেলে আফতাব আনসারির সেলে উদ্ধার আইফোন, কার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা জঙ্গির?
-
কাশ্মীরি-বিহারি দ্বন্দ্ব বাঁধিয়ে বিতর্কে সময় রায়না! ওরির হুঁশিয়ারি, ‘এবার জেলে ঢুকলে আর বেরবি না’