Asim Saha

প্রয়াত একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা, শোকপ্রকাশ হাসিনার

ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৪, ১৫:১৪

options
link
প্রয়াত একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা, শোকপ্রকাশ হাসিনার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: প্রয়াত বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি অসীম সাহা। দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক ও বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কবি। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Advertisement

চলতি বছরের শুরুর দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অসীম সাহা। চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন, বিষণ্ণতায় ভুগছেন কবি। এছাড়া পারকিনসন (হাত কাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস রোগেও ভুগছিলেন তিনি। তার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন কবি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক বিবৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেন, “কবি অসীম সাহার মৃত্যুতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অঙ্গনে অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমরা তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড়ি এলাকায় ধস, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মৃত ৯]

১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দাদুবাড়ি নেত্রকোনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন কবি অসীম সাহা। তার পৈতৃক নিবাস দেশের দক্ষিণের জেলা পদ্মাপাড়ের মাদারীপুরে । তাঁর বাবা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক। অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

Advertisement

সামগ্রিকভাবে সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা অ্যাকাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। পরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। কবির ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, শেষ সময়ে অর্থাভাবে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হয়। চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সহায়তা দিলেও নানা জটিলতার কারণে তা পরিবারের কাছে পৌঁছয়নি। ফলে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা-সহ ওষুধপত্রের অর্থের জোগান দেওয়া পরিবারের পক্ষে বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.