সুকুমার সরকার, ঢাকা: ভারী বর্ষণের জেরে কক্সবাজারের পাহাড়ি অঞ্চলে ধস। প্রাকৃতিক দুর্যোগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। মৃতদের মধ্যে দম্পতি, এক স্কুলছাত্র ও ৪ বছরের এক শিশু রয়েছে। চলছে উদ্ধারকাজ।
মায়ানমারে সেনা অভিযানের মুখ থেকে বাঁচতে বাংলাদশে পালিয়ে আসে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয় তাঁরা। কিন্তু এদেশেও বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন রোহিঙ্গারা। কখনও আগুন লাগার ঘটনা। কখনও সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারান তাঁরা। এবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিপন্ন রোহিঙ্গাদের। বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে ঝুঁকি নিয়েই বসবাস করেন তাঁরা। যার জেরেই এই বিপত্তি ঘটে। মঙ্গলবার রাতভর বৃষ্টি হয় সেখানে। বুধবার ভোররাতের দিকে ক্যাম্পগুলোর পাহাড়ি পাদদেশের মাটি ধসে পড়তে থাকে। এতে তিনটি ক্যাম্পে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জলের দর চামড়ার, পাচারের আশঙ্কা ভারতে! সীমান্তে টহলদারি বাড়াল বিজিবি]
এই ঘটনা প্রসঙ্গে, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী আধিকারিক (ইউএনও)তানভির হোসেন বলেন, বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গিয়েছে। উখিয়া থানার ওসি মহম্মদ শামিম হোসেন জানান, ৯ জনের মধ্যে বছর চারেকের এক শিশু, ১২ বছরের এক কিশোর ও কয়েকজন নারী-পুরুষ রয়েছেন।
দমকল বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে নাকি আবার ২ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন। নিহতরা হলেন- মহম্মদ হারেস (২), মোছা. ফুতুনি (৩৪), মহম্মদ কালাম, মোছা. সেলিনা খাতুন, আবু মেহের, জয়নব বিবি, মহম্মদ হোসেন আহমদ (৩০) ও তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও কিশোর আবদুল করিম (১২)। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মহম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে পাহাড়ে ধস নামে। উদ্ধারকাজ চলছে।
সর্বশেষ খবর
-
জাতীয় পতাকায় ১৭ বার বদল, স্বাধীনতা দিবসের আগে জেনে নিন সেই ইতিহাস
-
‘নির্মল ঘোষ হলে মমতা কেন নয়?’ অভয়া কাণ্ডের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা
-
লালকেল্লায় আমন্ত্রণ পেলেও বাধা ছিল অর্থ, সুন্দরবনের সেলিমাকে বিমানে দিল্লি পাঠালেন বিধায়ক
-
দিল্লি আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, মার্কিন ডলারের আধিপত্য খতম!
-
পিছিয়ে পড়ে কোনওক্রমে রক্ষা, কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলকে আটকে দিল ভবানীপুর