জল মাপার দিন শেষ। ১৭ মাসের অস্থিরতা শেষে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থায়ী সরকার। সেই সরকারের শপথের দিনই বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘দূত’ ওম বিড়লা। শপথের পরই তারেক লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকেই মোদির পাঠানো চিঠি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন বিড়লা। সূত্রের খবর, চিঠিতে বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপ্রধানকে দিল্লিতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এই বিষয়ে আরও খবর
Just concluded a constructive meeting with Prime Minister of Bangladesh @trahmanbnp
AdvertisementI handed over a personal letter from Prime Minister @narendramodi conveying his wishes to PM Rahman and inviting him to visit India at the earliest convenience.
AdvertisementI extended warm congratulations… pic.twitter.com/gFNqLmnxsT
— Om Birla (@ombirlakota) February 17, 2026
হাসিনার অপসারণের পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছিল নয়াদিল্লি। তবে প্রকাশ্যে সে দেশের নির্বাচন নিয়ে উচ্চবাচ্চ করেনি ভারত। একমাত্র খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বাংলাদেশে গিয়ে তারেককে শোকবার্তা দিয়ে আসেন। সূত্রের খবর, সেসময় দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে জয়শংকরের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা হয় তারেকের। এবার তিনি বাংলাদেশের কুরসিতে বসতেই ভারতের তরফে বন্ধুত্বের বার্তা দেওয়া হল।
তারেকের শপথে অতিথি হিসাবে ছিলেন স্পিকার বিড়লা। পরে সন্ধেয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাতের ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গঠনমূলক বৈঠক করেছি। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে একটি ব্যক্তিগত চিঠি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছি। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছেন এবং সময়মতো দ্রুত ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।” একই সঙ্গে স্পিকার বিড়লা জানিয়েছেন, “ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে আমি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’
বস্তুত, হাসিনার পতনের পর থেকেই দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে শৈত্য তৈরি হয়েছে। এতদিন মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার মূলত মৌলবাদী জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছে, ফলে দিল্লির তরফে সেভাবে ইউনুসের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিএনপি ক্ষমতায় আসতেই সেই পরিস্থিতি বদলানোর ইঙ্গিত মিলল। খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি আমন্ত্রণ জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশন! বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ১
-
এলেন-দেখলেন-জয় করলেন…., ফ্রিকিকে মেসি ম্যাজিক, জর্ডনকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
-
আমেরিকার হামলার বদলা! কুয়েত-বাহরিনের মার্কিন ঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ ইরানের, কী বললেন ট্রাম্প?
-
‘কলকাতা বইমেলা একটি সংগঠনের নয়’, প্রাঙ্গণ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে উদ্যোগী সংঘ
-
শ্যামাপ্রসাদের ভিটে সংস্কারে ২০০ কোটি, বসবে ১২৫ ফুটের মূর্তিও, বদলের আশা পর্যটন মানচিত্র



