Sheikh Hasina

‘গণতন্ত্রের পথিকৃৎ’, গ্রেনেড হামলা ভুলে ‘চিরশত্রু’ খালেদার মৃত্যুতে শোকবার্তা হাসিনার

খালেদা জিয়ার পুত্র তারেকের উদ্দেশেও বার্তা হাসিনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১২:১৩

options
link
‘গণতন্ত্রের পথিকৃৎ’, গ্রেনেড হামলা ভুলে ‘চিরশত্রু’ খালেদার মৃত্যুতে শোকবার্তা হাসিনার
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতীত শত্রুতা ভুলে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। মঙ্গলবার ঢাকা হাসপাতালে খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ সামনে আসার পর লিখিত বার্তায় গভীর শোকপ্রকাশ করলেন শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালে ঢাকার পথে গ্রেনেড হামলার অতীত স্মৃতি দূরে সরিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনকে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ’ বলে উল্লেখ করলেন মুজিব কন্যা।

Advertisement

মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর শোকবার্তায় শেখ হাসিনা লেখেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। খালেদা জিয়ার প্রয়াণ বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। জাতির প্রতি তাঁর অবদান ভোলার নয়। আমি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাশাপাশি খালেদা জিয়ার পুত্র ও তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে হাসিনা লিখেছেন, ‘আমি তাঁর পুত্র তারেক রহমান এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। বৃহত্তর বিএনপি পরিবারের প্রতিও আমার সমবেদনা। আমি আশা করি সর্বশক্তিমান আল্লা তাঁদের এই শোক সামলানোর জন্য ধৈর্য, শক্তি এবং সান্ত্বনা দান করবেন।’

Advertisement

বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ‘চিরশত্রু’ হিসেবে পরিচিত দুই রাজনৈতিক দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ ও খালেদার বিএনপি। শত্রুতা এতটাই যে ২০০৪ সালে খালেদা জিয়ার শাসনকালে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনার উপর। ওই বছরের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামি লিগের সমাবেশে চলে এই হামলা। সেবার দলীয় কর্মীরা মানব ঢাল করে রক্ষা করেন মুজিব কন্যাকে। মৃত্যু হয় ২৪ জনের। আহত হয়েছিলেন হাসিনা নিজেও। শোনা যায়, খালেদার মদতেই সেই হামলা চলেছিল।

তবে অতীতের রক্তাক্ত সেই দিন ভুলে হাসিনার এই বার্তায় রাজনৈতিক মহলের দাবি, আসলে ইউনুস শাসনে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। জামাতের অঙ্গুলিহেলনে চলতে থাকা অন্তর্বর্তী সরকার মৌলবাদের কবলে চলে গিয়েছে গোটা দেশ। আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধও নিষিদ্ধ। কঠিন এই সময়ে যদি কোনও আশার আলো থেকে থাকে তবে সেটা ‘মন্দের ভালো’ বিএনপি। ১৯৮৩ সালে এই খালেদা জিয়ার আন্দোলনের উপর ভর করেই এরশাদের সামরিক শাসনের অবসান ঘটেছিল বাংলাদেশে। ফিরেছিল গণতন্ত্র। সেই অতীত স্মরণ করেই খালেদার মৃত্যুতে শোকবার্তা দিলেন হাসিনা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.