পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রপাতে মৃত্যু দুই কিশোরের। বন্ধুর জন্মদিন উদযাপনের পিকনিকে বজ্রপাত মৃত হল দু’জনের। শুক্রবার বিকেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গোয়ালতোড় থানার অন্তর্গত আগরবাঁধ এলাকার জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায়।
আরও পড়ুন:
মৃত দুই কিশোরের নাম রূপক চৈরা ও অয়ন গোস্বামী। দু’জনেরই বয়স ১৫ বছর। তারা স্থানীয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র। মৃত অয়নের মামা কান্ত গোস্বামী বলেছেন, “শুক্রবার এক বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে তারা সবাই মিলে আগরবাঁধের জঙ্গলে একটি পিকনিকের আয়োজন করেছিল। রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়ার আনন্দের মাঝেই বিকেল নাগাদ আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। আকাশ কালো করে ধেয়ে আসে তীব্র ঝড়-বৃষ্টি। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করার আগেই মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। দুর্ভাগ্যবশত, বজ্র এসে পড়ে ওদের পিকনিক স্থলের কাছেই। বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের। বাকি বন্ধুরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচেন।”
বজ্রাঘাতের শব্দ ও নাবালকদের চিৎকারে শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় গোয়ালতোড় থানায়। পরে দুই কিশোরকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। দুই বন্ধুর এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে গোটা আগরবাঁধ এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
এ দিকে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ঝড়-বৃষ্টিতে রাজ্যজুড়ে মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা করা হবে। এ ছাড়াও আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে রাজ্য সরকার। আহতদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না। তবে মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। আহতদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে আগে তাঁদের চিকিৎসা দরকার। চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিচ্ছে রাজ্য সরকার।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?
-
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?