Howrah

হাওড়ার সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের, হাসপাতালে আরও এক

সেপটিক ট্যাঙ্কে থাকা গ্যাসেই প্রাণহানি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৩, ২১:০৬

options
link
হাওড়ার সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের, হাসপাতালে আরও এক
ছবি: প্রতীকী

নিজস্ব সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ঢালাই হওয়া সেপটিক ট্যাঙ্কের সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে গিয়ে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি আরও এক। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উদয়নারায়ণপুর পাঁচারুল এলাকার।

Advertisement

মৃত দুজনের নাম আশুতোষ মান্না (৪৮) ও সঞ্জয় দাস ( ৪১)। আশুতোষের বাড়ি উদয়নারায়ণপুরের সিংটি এবং সঞ্জয়ের বাড়ি উত্তর হরিশপুর পশ্চিম পাড়ায়। নেপাল প্রামাণিক নামে আরও এক শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় দেবীপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রয়েছেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা সেপটিক ট্যাঙ্কে মধ্যে থাকা কোনও গ্যাসেই এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস দুয়েক আগে একটি বাড়ির এই সেপটিক ট্যাঙ্কটি ঢালাই হয়েছিল। বুধবার সকালে এই সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে সেন্টারিংয়ের কাঠ ছাড়ানোর কথা ছিল। সেই অনুযায়ী বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ সঞ্জয় দাস আসেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই সহকর্মী আশুতোষ মান্না এবং নেপাল প্রামাণিক। তাঁরা তিনজনেই সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতরে নামতে থাকেন। আশুতোষ ও সঞ্জয় প্রথমে নামেন। তার কয়েক মুহূর্ত পরে নামেন নেপাল। আশুতোষ ও সঞ্জয় দুজনেই অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান। তা দেখে নেপাল আর বেশি দূর নামেনি। উঠে আসেন কোনওরকমে এবং চিৎকার শুরু করেন। আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে ভিতর নেমে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন।

Advertisement

তিনজনকেই স্থানীয় দেবীপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু চিকিৎসকরা আশুতোষ মান্না এবং সঞ্জয় দাসকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। উদয়নারায়ণপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গর্ভমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.