সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দেশের বিভিন্ন IAS, IPS অফিসারদের ফোন করে বিজেপির হয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি তাঁর। নিজের ‘সোর্সে’ এমন বিস্ফোরক তথ্য তাঁর কাছে এসেছে বলেই তেহট্টের নির্বাচনী প্রচারমঞ্চে দাঁড়িয়ে দাবি করলেন মমতা।
বৃহস্পতিবার তেহট্টের হরিচাঁদ গুরুচাঁদ স্টেডিয়ামে মহুয়া মৈত্রের সমর্থনে নির্বাচনী সভা করেন মমতা। সেখান থেকেই তিনি দাবি করেন, “আমি জানি, আইএএস, আইপিএস অফিসারদের, যাঁর যে রাজ্যে বাড়ি, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীদের দিয়ে ফোন করানো হচ্ছে। বলানো হচ্ছে বিজেপির পক্ষে যেন কাজটা তাঁরা করেন। এটা আমাকে কেউ বলেনি। আমি আমার নিজের সোর্স থেকে জেনেছি। কোনও আইএএস বা আইপিএস আমাকে এটা বলেননি। খবর আমার কানে এসেছে।’’ এভাবে বিজেপি ভোটে আদতে ফায়দা তুলতে চাইছে বলেই অভিযোগ মমতার।
[আরও পড়ুন: সৌমেন্দেুর মনোনয়নে বাধার মুখে শিশির! কাঁথির ডিএম অফিসের সামনে উত্তেজনা]
ভোট শতাংশের হার বেড়ে যাওয়া নিয়েও এদিন আরও একবার সন্দেহপ্রকাশ করেন মমতা। নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়ে মমতার কটাক্ষ, ‘‘ভাবতে পারছেন, ভোটের দিন লোকে জানল এত ভোট পড়েছে। কিছু দিন পরে সেই হিসাব বদলে গেল। কমিশন বলল, আরও ৬ শতাংশ ভোট বেশি পড়েছে। কী করে ভোটের হার এভাবে বেড়ে যায়?’’ বলে রাখা ভালো, মঙ্গলবার রাতে প্রথম দুই পর্বের ভোটের হার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রথম দফায় ৬৬.১৪% এবং দ্বিতীয় দফায় ৬৬.৭১% ভোট পড়েছে। কীভাবে আচমকা ভোট গ্রহণের হার বেড়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। কেনই বা প্রথম দফার ভোটের ১১ দিন বাদে আর দ্বিতীয় দফার চার দিন বাদে কত মানুষ ভোট দিয়েছে তা প্রকাশ করা হল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবার ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা জানিয়ে দেওয়া হয়। এবার তা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের উপর বিজেপির প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল ও বামেদের।
[আরও পড়ুন: জীবনে কোনওদিন দ্বিতীয় হয়নি, মাধ্যমিকে কোন স্থানে হুগলির ‘বিস্ময় বালক’ তপজ্যোতি?]
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!