Sandeshkhali

জেলে বসেই সন্ত্রাসের নেটওয়ার্ক শাহজাহানের! সন্দেশখালিতে অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ, গ্রেপ্তার ৬

ধৃত গোপাল দাস সরবেড়িয়ার প্রাক্তন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রবীন দাসের ভাই। যাঁর পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে শনিবার।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৪:৩৬

options
link
জেলে বসেই সন্ত্রাসের নেটওয়ার্ক শাহজাহানের! সন্দেশখালিতে অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ, গ্রেপ্তার ৬
সন্দেশখালিতে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬।

উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। শেখ শাহজাহানের খাসতালুক। যাঁর হাতযশে রীতিমতো ‘অন্ধকার জগৎ’ হয়ে উঠেছিল এলাকা। সেই শেখ শাহজাহান এখন গারদে। তবে সেই সন্দেশখালিতে সন্ত্রাসের দাপট এখনও শেষ হয়নি। সন্দেশখালিতে একের পর এক জায়গায় অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ মিলেছে। উদ্ধার হয়েছে ১৮ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫৬ রাউন্ড কার্তুজ। শনিবার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছিল ১৩ আগ্নেয়াস্ত্র। এবার সেই ঘটনায় এসটিএফের জালে ৬। সূত্রের খবর, এরা সকলেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

শনিবার সন্দেশখালিতে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকদের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘আগের সরকারের আমলে স্থানীয়দের ভয় পাওয়ানোর জন্য বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র মজুত করা হত।’ পুলিশ সূত্রে খবর, সন্দেশখালি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে এটিএফ। ধৃতদের মধ্যে গোপাল দাস, রমজান মোল্লা, লুৎফর মোল্লা ও জহর মোল্লা নামে চারজন রয়েছেন। ধৃত গোপাল দাস সরবেড়িয়ার প্রাক্তন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রবীন দাসের ভাই। শনিবার থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

Advertisement

শনিবার সকাল থেকে এনআইএ, রাজ্য পুলিশের এটিএফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এক যোগে তল্লাশি শুরু করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায়। আর সেই অভিযানেই মেলে কাঁড়ি কাঁড়ি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থেকে গ্রেপ্তার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রমজান মোল্লা সহ কয়েকজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সন্দেশখালিকাণ্ডের পর যখন গা ঢাকা দেন শেখ শাহজাহান, তখন বেশ কিছুদিন তিনি লুকিয়ে ছিলেন এই রমজান মোল্লার বাড়িতেই।

Advertisement

২০২৪ সালে রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডি শেখ শাহজাহানের বাড়িতে পৌঁছতেই ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল শাহজাহানের দলবল। শাহজাহান ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করেছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। এরপরই শেখ শাহজাহানের কীর্তিকলাপ ফাঁস করতে থাকেন স্থানীয়রা। প্রায় ৩ মাস ফেরার থাকার পর রাজ্য পুলিশের জালে উঠেছিল সন্দেশখালির ‘ত্রাস’। ২ বছরের বেশি সময় জেলবন্দি শাহজাহান। তবুও সন্দেশখালির পাড়ায় পাড়ায় এখনও ঘাপটি দিয়ে সন্ত্রাস! জেলবন্দি শাহজাহানের হাতেই কি এখনও সন্দেশখালির সন্ত্রাসের রাশ? বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার খাসতালুকে অস্ত্র উদ্ধার ঘিরে দানা বাধছে একাধিক প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.