সেলের ভিআরএস স্কিমে ‘গুজরাট ফর্মুলা’র সাফল্য। প্রায় দশ বছর পর কর্মীসংখ্যা কমাতে এই ফর্মুলা প্রয়োগ করে অবশেষে বিরাট সাফল্য পেল সেল। সেলের মোট চারটে ইউনিটে (দুর্গাপুর, রাউরকেল্লা, ভিলাই ও বোকারো) ২০২৬ ভিআরএস স্কিম চালু করে। ‘গুজরাট ফর্মুলা’য় ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে ১ হাজার ৫০০ কর্মীকে অবসর দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল সেল। ২০ মে থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চালু ছিল এই ‘অফার’।
আরও পড়ুন:
‘গুজরাট ফর্মুলা’ কী? জানা গিয়েছে, যত বছরের চাকরি জীবন তার ৭৫ শতাংশের দৈনিক বেতন ও চাকরি জীবনের সঙ্গে ৩৫ দিনের বেতন ও বাকি চাকরি জীবনের সঙ্গে ২৫ দিনের দৈনিক বেতন। ২০০০-২০০১ আর্থিক বছরে গুজরাটে প্রথম প্রয়োগ করা হয় এই স্কিমের। এবারের শর্ত ছিল ৫৪ বছর বা তার বেশি বয়সের কর্মীরা কিংবা ১৫ বছরের বেশি চাকরি হয়ে গিয়েছে তাঁরাই এই স্কিমে আবেদন করতে পারবেন।
২০১৬ সালে শেষ ভিআরএস স্কিমে ৯০ হাজার কর্মীকে এর আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নিলেও মাত্র ১ হাজার ৩৮ জন ভিআরএস নিয়েছিলেন। সাফল্যের হার মাত্র ১.১৫ শতাংশ। তবে ‘গুজরাট ফর্মুলা’তে কামাল করেছে সেল। ১৫০০ কর্মী, শ্রমিকের মধ্যে সেলের এবার ৬২৭ জন কর্মী ও শ্রমিক এবার ভিআরএস নিয়েছেন। লক্ষ্যমাত্রার হার ৪১.৮ শতাংশ। সফল সেই ‘গুজরাট ফর্মুলা’। বর্তমানে সেলের মোট কর্মী সংখ্যা ৪৯ হাজার ৭৫২।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ