সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুচল টানা পাঁচদিনের বন্দিদশা। অবশেষে দিল্লি পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেলেন কোচবিহারের দিনহাটার সাবেক ছিটমহলের ৭ জন। তাঁদের মুক্তিতে খুশি পরিবারের লোকজন। রাজ্য সরকার, মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং কোচবিহার জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, ওই সাতজনের ‘অপরাধ’ দিল্লিতে গিয়ে বাংলায় কথা বলেছিলেন। সে কারণে দিল্লির শালিমার থানার পুলিশ আটক করেন তাঁদের। আটকদের মধ্যে ৩ শিশু এবং এক মহিলাও ছিলেন। তাঁদের দাবি, প্রত্যেকের কাছে বৈধ কাগজপত্র ছিল। শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলেছিলেন বলে তাঁদের বাংলাদেশি বলে ভাবা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের তরফে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাতেই নড়েচড়ে বসে কোচবিহার জেলা পুলিশ। পাঁচদিন পর প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, “দিল্লি পুলিশ অনৈতিকভাবে তাঁদের আটক করেছিল। রাজ্য সরকার সবরকম চেষ্টা করায় তাঁদের ছাড়তে বাধ্য হয়েছে দিল্লি পুলিশ।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকরা স্থানীয় একাংশের হাতে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্যুতে ক্ষোভপ্রকাশ করেন। মুর্শিদাবাদের সুতির সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘আমাদের লোকেদের উপর আক্রমণ হচ্ছে। বাংলায় কথা বললেই পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা করা হচ্ছে। আমি অনেকগুলো ঘটনার কথা শুনেছি। আমাদের লোকেদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। অনেক অভিযোগ আমরা পাচ্ছি।’’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো কেন্দ্রীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের চিঠিও পাঠান মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। চিঠিতে স্পষ্টভাবে রাজ্যের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!