দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: কাগজ কুড়োতে গিয়ে বালতিতে থাকা তাজা বোমা ফেটে গুরুতর জখম হলেন এক যুবক৷ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পুরশুড়ার পঞ্চাননতলা এলাকায়৷ গুরুতর জখম সেমনাথ পালকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷
[বিজেপির জন্য পদ্ম নয়, ২০১৯-এর ভোটে লাগবে রজনীগন্ধার মালা: অনুব্রত]
সোমনাথ হুগলির শেওড়াফুলিতে স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে থাকেন৷ অভাবের সংসারে স্বামী-স্ত্রী কাগজ কুড়িয়ে যা রোজগার হয় তা দিয়ে কোনেওমতে সংসার চলে যায়। অর্থের অভাবে বড় ছেলেও সম্প্রতি কাগজ কুড়ানোকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে৷ কাগজ কুড়িয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি মেজ ও ছোট ছেলেকে স্কুলে পড়াশোনা শেখাচ্ছেন। ছেলেদের শিক্ষিত করে তোলা এই কাগজ কুড়ানি দম্পতির স্বপ্ন৷
[মদের আসরে বচসা, দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু পথচারী যুবকের]
রবিবার সকালে সোমনাথ তাঁর স্ত্রী পূজাকে নিয়ে পুরশুড়ার পঞ্চাননতলা এলাকায় কাগজ কুড়াতে বেরিয়েছিলেন। পঞ্চাননতলায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের পাশেই একটি ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে সোমনাথ ভাঙা বালতি টেনে বের করেন। তখনও তাঁর জানা ছিল না, ওই বালতির মধ্যেই রয়েছে তাজা বোমা৷ বালতি টানাটানিতে হঠাৎই ওই বোমা প্রচণ্ড শব্দে ফেটে যায়। চারিদিক কেঁপে ওঠে। ততক্ষণে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে সোমনাথ৷ ডান হাতের তালু ও আঙুল ফেটে অঝোরে রক্ত ঝরছে৷ বোমা ফাটার আওয়াজ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে আসেন৷ তারাই রক্তাক্ত সোমনাথকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীরামপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ তার ডান হাতের ক্ষতে চিকিৎসকরা অনেকগুলি সেলাই পড়েছে৷ এদিকে, খবর পেয়ে পুরশুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আরও কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করে৷ তবে, এই ঘটনার পর এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে৷
[৬০ ফুট উঁচু বিদ্যুতের পোল থেকে পড়ে জখম মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক]
সর্বশেষ খবর
-
‘রুশ তেল শোধনাগারে হামলা নয়’, পুতিনের পক্ষ নিয়ে জেলেনস্কিকে চোখ রাঙালেন ট্রাম্প!
-
জুয়ার ঠেকে হানা দিতেই টার্গেট পুলিশ! সালারে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমায় আক্রান্ত এএসআই
-
আজ লিস্টনের পরিবর্তে শুরু করতে পারেন অভিষেক, অ্যাডভান্টেজ ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ মোহনবাগানের
-
থানার শৌচাগার থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ! চন্দ্রকোণায় পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যু বন্দির
-
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি হারিয়েছিলেন, নন্দীগ্রামে মমতার বাজি কেন সেই সঞ্চিতা?