স্টাফ রিপোর্টার: ‘যা হওয়ার তা আজই হয়ে যাক’৷ পঞ্চমীর সকাল থেকে আকাশে মেঘের ছিটেফোঁটা দেখতে চাইছে না বাঙালি৷ বছরে মাত্র পাঁচটি দিন৷ এক বছর প্রতীক্ষার পর ফের মায়ের কাছে প্রার্থনা, আবদার৷ আশীর্বাদ চেয়ে নেওয়া৷ সেইসঙ্গে চুটিয়ে খাওয়াদাওয়া, হইহুল্লোড়৷ রাতজেগে ঠাকুর দেখা৷ আনন্দের এই ফল্গুধারায় বৃষ্টিকে বন্ধু করতে রাজি নয় কলকাতা থেকে সুদূর কোচবিহার৷ দেবীপক্ষেই তাই বঙ্গবাসীর মায়ের কাছে প্রার্থনা, মা দেখো পঞ্চমী থেকে যেন বৃষ্টির জলে ভিজতে না হয়৷ হাওয়া অফিস অবশ্য বৃষ্টি হবেই না, এটা বলতে পারছে না৷ আকাশে-বাতাসে এখন পুজোর গন্ধ৷ ফিনিশিং টাচ চলেছে পুজো মণ্ডপে৷ বড় পুজোগুলিতে দেবীপ্রতিমা মণ্ডপে চলে এসেছেন৷ আনন্দে মাততে বাঙালির নতুন জামাকাপড় কেনা শেষ৷ সাজগোজে কিছু বাকি থাকলে, চলছে তার প্রস্তুতি৷ এই অবস্থায় বৃষ্টি কোথাও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করুক তা চাইছে না আট থেকে আশি৷ রোদ ঝলমল আকাশ দেখার অপেক্ষায় সাত বছরের হিয়া থেকে সত্তরোর্ধ্ব প্রতিমাদেবীও৷ সবারই একটাই আকুতি, এই ক’টা দিন যেন বৃষ্টি না হয়৷
যদিও আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টির ভ্রূকুটি তো থাকছেই৷ হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই৷ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পুজোর ক’টা দিন৷ মঙ্গলবার রাতে শহর কলকাতা ও শহরতলিতে হালকা বৃষ্টি হয়েছে৷ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আগামী কয়েকদিনও৷ কিন্তু দু-চার পশলা বৃষ্টিতেও সাজ নষ্ট করে ভিজে গায়ে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতে রাজি নয় কেউই৷ পুজোর উদ্যোক্তারা বলছিলেন, নতুন ভাবনা, নতুন থিম, নতুন আলো–সবই দর্শকদের আকৃষ্ট করতে৷ আর দর্শকই যদি বৃষ্টির কারণে না আসতে পারেন, তাহলে এত আয়োজন বৃথা৷ কচিকাঁচা থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ তাঁদের বক্তব্যও একই৷ বলছেন, জামা-জুতো, কসমেটিক্স সবই কেনা হয়েছে পুজোয় আনন্দ করব বলে৷ সেখানে বৃষ্টি হলে সবই পণ্ড৷ অনেকে আবার ভিড় আর বৃষ্টি এড়াতে চতুর্থীর সন্ধ্যা থেকে পা বাড়িয়েছেন মণ্ডপে মণ্ডপে৷ তবে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও বাঙালির বিশ্বাস, মা-ই হয়তো এই ক’টা দিন বৃষ্টিকে বন্ধ রাখবেন৷
সর্বশেষ খবর
-
নেপাল বিপর্যয়ের মাস পেরলেও খোঁজ নেই, স্ত্রীকে পেতে মোদির দ্বারস্থ মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু
-
বানর সেনার চোখে চশমা-হাতে গদা, ‘মহাকাব্য শ্রী রামায়ণ কথা’ পোস্টার ঘিরে হাসির রোল নেটভুবনে
-
কবাডিতে জোড়া সোনা, ৭ মেডেলে এশিয়াডে ভারতের ‘সেরা’ দিন, পদকতালিকায় কোথায় দাঁড়িয়ে?
-
১৪১ বছরের ঐতিহ্যে নতুন অধ্যায়, হোমিওপ্যাথিতে নয়া ডাইলিউশন সি-রিঙ্গারের
-
প্রশাসনের উচ্চমহল জানত ভগবানজির পরিচয়! ইন্দিরা গান্ধীও দেখা করেন রহস্যাবৃত সেই সন্ন্যাসীর সঙ্গে?