বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে অশান্তি, স্ত্রী-শাশুড়ির মারে আত্মঘাতী যুবক

উলটপুরাণ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৮, ১১:৫৮

options
link
বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে অশান্তি, স্ত্রী-শাশুড়ির মারে আত্মঘাতী যুবক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাম্পত্যকলহে আত্মঘাতী এক যুবক। অভিযোগ, বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে অশান্তির কারণে ওই যুবককে মারধর করেন তাঁর স্ত্রী ও শ্বাশুড়ি। সেই অপমানে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ঘটনায় স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। অভিযুক্তরা পলাতক। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে।

Advertisement

[মুক্তিপণের জন্য দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে ‘খুন’, গ্রেপ্তার ৩ বন্ধু]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম পীষূষকান্তি মণ্ডল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে স্ত্রী মধুমিতাকে নিয়ে থাকতেন তিনি। পরিবারের লোকেদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর অশান্তি লেগেই থাকত। জামাইকে নানাভাবে হেনস্তা করতেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরাও। গত ২৪ জানুয়ারি স্ত্রী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকেদের সঙ্গে বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন পীষূষ। আর বিয়েবাড়িতে গিয়ে নবদম্পতি, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়দের সঙ্গে ছবি-সেলফি তোলাটাই এখন দস্তুর। সেই ছবি আবার ফেসবুকে পোস্ট না করতে পারলেও যে মান থাকে না।  ঠিক সেই কাজটি করছিলেন মৃতের স্ত্রী মধুমিতা। অভিযোগ,  বিয়েবাড়ি পৌঁছনোর পরই মোবাইলে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। আপত্তি জানিয়েছিলেন ওই যুবক। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পীষূষকে মারধর করেন তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, শুক্রবার নিজের বাড়িতেই বিষ খান পীষূষ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্তরা পলাতক।

Advertisement

[শহর থেকে দূরে সরছে শীত, উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.