Abhishek Banerjee

হায়দরাবাদে জটিল অস্ত্রোপচার, অভিষেকের সৌজন্যে ফিরল জন্মান্ধ যমজ শিশুর দৃষ্টি

জানা গিয়েছে, জন্মের পর থেকে দেখতে পাচ্ছিল না আলিফা ও রায়ানা খাতুন নামের দুই যমজ বোন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৯:১১

options
link
হায়দরাবাদে জটিল অস্ত্রোপচার, অভিষেকের সৌজন্যে ফিরল জন্মান্ধ যমজ শিশুর দৃষ্টি
মেয়েদের দৃষ্টি ফেরত আসায় অভিষেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের মা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয়ের কারণে দৃষ্টি ফিরে পেল ৮ মাসের দুই যমজ বোন। শনিবার এই খবর জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মেয়েদের দৃষ্টি ফেরত আসায় অভিষেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের মা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, জন্মের পর থেকে দেখতে পাচ্ছিল না আলিফা ও রায়ানা খাতুন নামের দুই যমজ বোন। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও সমাধান মেলেনি। এরপরই দুই শিশুকে নিয়ে সেবাশ্রয় শিবিরে হাজির হন পরিবারের সদস্যরা। চিকিৎসকরা জানান, দুই শিশুর দৃষ্টি ফিরতে পারে। কিন্তু জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন রয়েছে। আর তারপরেই তাঁদের দৃষ্টি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু এই চিকিৎসা খুবই ব্যয়সাপেক্ষ। নিম্নবিত্ত পরিবারের সেই খরচ জোগার করার ক্ষমতা ছিল না। সেই কারণে সেবাশ্রয়ের মাধ্যমে দুই শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই তাদের হায়দরাবাদের এলভি প্রসাদ চক্ষু ইনস্টিটিউটে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। সম্প্রতি জটিল এই অস্ত্রোপচারের পর দৃষ্টি ফিরে পায় ওই দুই শিশু। এরপরই একটি ভিডিও শেয়ার করে অভিষেক দাবি করেন, সদিচ্ছা ও মানবিকতা থাকলে যে কোনও অন্ধকারকেই জয় করা সম্ভব।

Advertisement

মেয়ের দৃষ্টি ফিরে আসার পর তাদের মা একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, “জন্ম থেকেই দেখতে পাচ্ছিল না। ভেবেছিলাম হয়তো আর দেখতে পাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাদাকে আমরা আবেদন জানিয়েছিলাম। দাদার উদ্যোগে হায়দরাবাদে চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে। আমার বাচ্চারা দুনিয়া দেখবে। এরকম হবে কখনও ভাবতে পারিনি। তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসংখ্য ধন্যবাদ।”

Advertisement

এই সংক্রান্ত ভিডিওটি শেয়ার করে অভিষেক এক্স হ্য়ান্ডলে লিখেছেন, “সেবাশ্রয়ের অঙ্গীকারের মাধ্যমে এলভি প্রসাদ আই ইনস্টিটিউটে সফলভাবে আট মাস বয়সি দুই বোনের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছে। এটি একটা সময়ে কার্যত অসম্ভব একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সব অন্ধকার কাটিয়ে তারা জন্মান্ধকে জয় করে নিয়েছে। এই প্রথমবার তারা জগৎটাকে দেখতে পাবে। এটি শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত সাফল্য নয়। তাদের হাসি এবং তাদের পরিবারের আনন্দ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কেন সেবার এই যাত্রাটি গুরুত্বপূর্ণ। মানবতা পথ দেখালে আশার জয় হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.