Abhishek Banerjee

‘বিজেপির আবর্জনা’, কোচবিহারে নিশীথকে নিশানা অভিষেকের, বললেন ‘চতুর্থবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতাই’

মঙ্গলবার কোচবিহারে 'রণসংকল্প সভা'র আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মদনমোহন মন্দিরে পুজো দেন।

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৮:০৬

options
link
‘বিজেপির আবর্জনা’, কোচবিহারে নিশীথকে নিশানা অভিষেকের, বললেন ‘চতুর্থবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতাই’

সময় এগিয়ে আসছে। মাস দুয়েকের মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ব্যালট বাক্সে লড়াই তো হবেই। তবে তার আগে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রচারযুদ্ধের পারদ ক্রমশ চড়ছে। শাসকদল তৃণমূলের তরফে এই প্রচার কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে, ‘যতই করো হামলা/এবার জিতবে বাংলা।’ রাজ্যে রাজনৈতিকভাবে বিজেপিকে আরও দুর্বল করা এবং বড় ব্যবধানে তৃণমূল সরকারকে ফের ক্ষমতায় আনার লক্ষ্যে ভোটের আগে গোটা রাজ্য ঘুরে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার কোচবিহারের ‘রণসংকল্প সভা’য় ভোটের ফলাফল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন তিনি। বললেন, ”চতুর্থবারও রাজ্যে মা-মাটি-মানুষের সরকার গঠন হবে। চতুর্থবারও মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।”

Advertisement

কোচবিহারের ‘রণসংকল্প সভা’য় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ”চতুর্থবারও রাজ্যে মা-মাটি-মানুষের সরকার গঠন হবে। চতুর্থবারও মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

এখন আর জয় পাওয়া নয়। লক্ষ্য হল গত তিনবারের তুলনায় তৃণমূলের ভোটের ব্যবধান বৃদ্ধি। আর সেই লক্ষ্যে ‘রণসংকল্প সভা’য় যেখানেই যাচ্ছেন অভিষেক, সেখানেই তিনি বিরোধীদের রাজনৈতিক লড়াইয়ে শূন্য করে দেওয়ার ডাক দিচ্ছেন। মঙ্গলে কোচবিহারের সভা থেকেও তিনি জেলায় ৯-০ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তাঁর কথায়, অভিষেক বলেন, ‘‘ইডি পাঠিয়ে তৃণমূলকে জব্দ করতে চাইছে বিজেপি, নিজেরাই জব্দ হবে। যাঁরা এসআইআরে শুনানির নোটিস পেয়েছেন, সবার নাম যেন ভোটার তালিকায় থাকে, সেটা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব তৃণমূলের কর্মীদের। যাঁরা লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পাচ্ছেন, এদের একটাও ভোট দেবেন না।’’ এ প্রসঙ্গেই অভিষেক বলেন, ”বিজেপিকে দেখিয়ে দিতে হবে যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের উপরই আস্থা রাখেন।চতুর্থবারও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চতুর্থবারও মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে বাংলায়।” 

Advertisement

সেইসঙ্গে অভিষেকের আরও বক্তব্য, ‘‘বাংলার মানুষ জবাব দেবে। আগামীতে সরকার গঠনে কোচবিহারের অবদান হবে অন্যতম। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বা হুগলি, বর্ধমানের মতো যাতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, তা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে। ৯-০ করতে হবে কোচবিহারে।”

Advertisement

অভিষেকের আরও বক্তব্য, ‘‘বাংলার মানুষ জবাব দেবে। আগামীতে সরকার গঠনে কোচবিহারের অবদান হবে অন্যতম। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বা হুগলি, বর্ধমানের মতো যাতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, তা আপনাদের নিশ্চিত করতে হবে। ৯-০ করতে হবে কোচবিহারে।”

গত বিধানসভা ভোটের ফলাফলের দিকে নজর রাখলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে পদ্ম ফুটেছিল। যদিও চব্বিশের লোকসভা ভোটে কোচবিহারকে গেরুয়ামুক্ত করে দখল নেয় ঘাসফুল শিবির। সেই ধারাবাহিকতা যাতে ছাব্বিশের ভোটেও বজায় রাখা হয়, এদিনের সভা থেকে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে সেই দায়িত্বই দিয়ে গেলেন অভিষেক।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.