Barasat University Clash

যাদবপুরের পর এবার ছাত্র সংঘর্ষ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে, ‘টিএমসিপির জঙ্গিপনা’, অভিযোগ এবিভিপির

রাখির অনুষ্ঠান ঘিরে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ধুন্ধুমারে আহত ২ পড়ুয়া ভর্তি হাসপাতালে। উত্তেজনা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৪:০৯

options
link
যাদবপুরের পর এবার ছাত্র সংঘর্ষ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে, ‘টিএমসিপির জঙ্গিপনা’, অভিযোগ এবিভিপির
বারাসত স্টেট ইউনিভার্সিটিতে এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষ, ফাইল ছবি

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার ছাত্র সংঘর্ষে উত্তপ্ত ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি বা বারাসত বিশ্ববিদ্যালয় (Barasat University Clash)। রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন ঘিরে এবিভিপির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। দু’পক্ষের হামলা-পালটা হামলায় এবিভিপির দুই সদস্য আহত হন বলে জানা গিয়েছে। গলায়, ঘাড়ে আঘাত নিয়ে তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি। এর নেপথ্যে টিএমসিপির ‘জঙ্গিপনা’র অভিযোগ তুলেছে গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠন। তাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন জঙ্গিদের মতো কার্যকলাপ চলবে, সেখানে ঘরে ঢুকে শিক্ষা দেওয়া হবে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তা সামলাতে যায় দত্তপুকুর থানার পুলিশ।

Advertisement
মঙ্গলবার, ২৫আগস্ট সন্ধ্যায় বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ছাত্র সংঘর্ষে আহত ছাত্র, নিজস্ব ছবি

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এমএ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে ঘিরে। এবিভিপির দাবি, কথা বলার অছিলায় অরূপ নামে ওই ছাত্রকে হস্টেলে ডেকে মারধর করা হয়। আলতাফ নামে টিএমসিপির এক সদস্যের নাম উঠে আসে এই ঘটনায়। খবর পেয়ে এবিভিপির ছাত্ররা হস্টেলে পৌঁছয়। মারধরে বাধা দিতে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

Advertisement

এবিভিপির বারাসত নগর সম্পাদক প্রীতম পাঠক বলেন, “অরূপকে কথা বলার নাম করে প্রথমে মারধর করা হয়। পরে আমরা হস্টেলে গেলে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা আমাদের ছাত্রদের মারধর করে। ব্লেড চালানো হয়েছে। অরূপ ও আমাদের আরেক সদস্য গুরুতর জখম হয়েছে।” প্রীতমের আরও বক্তব্য, “আসলে আমরা এখানে একটা রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন করছিলাম। তার জন্য প্রয়োজনীয় অনুদানের আবেদনে ভিসি স্যর (উপাচার্য) সই করে দিয়েছেন। এতেই ওদের আপত্তি। বলছে, এবিভিপি কেন রাখির জন্য টাকা পাবে? কেন টিএমসিপি পাবে না? এই নিয়েই ওরা আমাদের উপর চড়াও হয়।”

Advertisement
এবিভিপি সদস্য অরূপের অভিযোগ, তাঁকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, নিজস্ব ছবি

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে ঘটনার যোগ অস্বীকার করে হস্টেলের ছাত্র গিয়াস, রহমত ও শরীফদের পালটা দাবি, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র। কোনও দলে নেই। ওরাই (এবিভিপি) হস্টেলে ঢুকে আমাদের মারধর করেছে। আমাদের ১০-১২ জন ছাত্র জখম হয়েছে।” এনিয়ে বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে এবিভিপির ছাত্রদের মারধর করেছে।” জেলা পুলিশ সুপার জে মার্সি বলেন, “কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে, তা ভাইস চ্যান্সেলরের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.