Bhupatinagar Blast

বারুদের বদলে ফুল! তাও মিলল না রেহাই, এনআইএ-র জালে ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের অভিযুক্ত

অভিযুক্তকে বিচারভবনে এনআইএ-র বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৭ দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
বারুদের বদলে ফুল! তাও মিলল না রেহাই, এনআইএ-র জালে ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের অভিযুক্ত
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।

সরবরাহ করতেন বোমা তৈরির সরঞ্জাম! ধরা পড়ার ভয়ে মুম্বইতে গিয়ে শুরু করেন ফুলের ব্যবসা। ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bhupatinagar Blast) বোমা তৈরির সরঞ্জাম সরবরাহ করার অভিযোগে এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার সেই সুবীর মাইতি। এনআইএ-র হাতে তদন্তভার যাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। সম্প্রতি ভূপতিনগরে নিজের বাড়িতে আসেন তিনি। সেখানেই অভিযান চালিয়ে সুবীরকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাঁকে বিচারভবনে এনআইএ-র বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৭ দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

Advertisement

জানা যায়, ২০২২ সালে ভূপতিনগরের বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় ৩ জনের। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভূপতিনগর কাণ্ডে ব্যবহৃত বোমা তৈরির সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিলেন। ২০২৩ সালে ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যাওয়ার পর থেকেই সুবীরের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। তদন্তকারীদের দাবি, মুম্বইতে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করছিলেন তিনি। তার মধ্যে একটি হল ফুলের ব্যবসা। মাঝে মাঝে তিনি ভূপতিনগরে ফিরতেন। লোকচক্ষুর আড়াতে আবার ফিরে যেতেন মুম্বইয়ে। সেরকমই ২-১ দিন আগে ভূপতিনগরে আসেন সুবীর। কয়েকদিনের মধ্যেই ফের মুম্বই ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সূত্র মারফত সেই খবর পেয়ে অভিযান চালায় এনআইএ। এরপর মঙ্গলবার ভোররাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিনই তাঁকে কলকাতায় এনে বিচারভবনে বিশেষ এনআইএ আদালতে পেশ করেছেন এনআইএ আধিকারিকরা। সুবীরকে ৭ দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সুবীরের কোনও ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, এখনও বারুদ ও বোমা তৈরির অন্য সরঞ্জামের ব্যবসার সঙ্গে তিনি জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাঁর ভূমিকাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর গভীর রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর এলাকার নারুবিলা গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় রাজকুমার মান্না, তাঁর ভাই দেবকুমার মান্না ওরফে বুদ্ধদেব মান্না এবং বিশ্বজিৎ গায়েন নামে তিনজনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে বাড়িটির একাংশ সম্পূর্ণ উড়ে যায়। ২০২৩ সালে মামলার তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার ভূপতিনগর থেকে সুবীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.