বারাসত (Barasat) শহরের কেএনসি রোডে ফুটপাথ দখল নিয়ে কড়া অবস্থান নিল জেলা প্রশাসন। আজ, বুধবার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া, পুলিশ সুপার জে মার্সি, বারাসতের বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়-সহ প্রশাসনের কর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেন। ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফুটপাথ ও সরকারি জমির অংশ খালি করার নির্দেশ দেন। জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দেশ না মানলে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
আরও পড়ুন:
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে কেএনসি রোডের দু’ধারে ফুটপাথের বড় অংশ জুড়ে অস্থায়ী ব্যবসা চলছে। কয়েকটি স্থায়ী দোকানও সরকারি জমির অংশ ব্যবহার করছে। ফলে পথচারীদের রাস্তায় নেমে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। জেলা প্রশাসনিক ভবন, জেলা আদালত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রাস্তা হওয়ায় প্রতিদিন বিপুল মানুষের যাতায়াত হয় এই পথ দিয়ে। পরিদর্শনের সময় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসনের কর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফুটপাথ ও সরকারি জমির অংশ খালি করতে হবে। নির্দেশ অমান্য করা হলে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া বলেন, “ফুটপাথ ব্যবহার করার অধিকার সাধারণ মানুষের। কিন্তু ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা চলছে। ফলে শহরের যানজট বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এদিন ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের পরেও দখল না সরালে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।” বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ফুটপাথ জুড়ে জবরদখল মুক্ত করতে তৃণমূলের সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কিন্তু সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে সরকারি জায়গা ব্যবহার করে ব্যবসা চালানো যাবে না। জেলা প্রশাসনের কর্তারা তাই ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ