পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়। যুক্তফ্রন্ট সরকার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক অশান্তি তুঙ্গে উঠলে যখন প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান, তখন রাজ্যজুড়ে জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন।
আরও পড়ুন:
যদিও বছরখানেক রাষ্ট্রপতি শাসন চলার পর, রাজনৈতিক দলগুলি আলোচনার মাধ্যমে আবারও স্থিতিশীল সরকার গঠনে সচেষ্ট হয়। ফলস্বরূপ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ মুখ্যমন্ত্রী পদে ফিরিয়ে আনা হয় অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়কে। অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে জনগণের কাছে রীতিমতো গ্রহণযোগ্যতা ছিল অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের।
এর আগে ১৫ মার্চ, ১৯৬৭ থেকে ২ নভেম্বর, ১৯৬৭ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থেকেছেন তিনি। সে সময়ে রাজনীতিবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী নলিনাক্ষ সান্যালের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দু’বার যুক্তফ্রন্ট সরকার পরিচালনা করেন। এ’কাজে সাহায্য পেয়েছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদেরও। কর্মজীবনে সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে পেয়েছেন সাধারণের অপার শ্রদ্ধা।
এর আগে ১৫ মার্চ, ১৯৬৭ থেকে ২ নভেম্বর, ১৯৬৭ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থেকেছেন তিনি। সে সময়ে রাজনীতিবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী নলিনাক্ষ সান্যালের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দু’বার যুক্তফ্রন্ট সরকার পরিচালনা করেন। এ’কাজে সাহায্য পেয়েছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদেরও। কর্মজীবনে সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে পেয়েছেন সাধারণের অপার শ্রদ্ধা।
তবে রাজনৈতিক অশান্তির মাঝে তাঁকে ফিরিয়ে আনার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় না। সুচারুভাবে রাজ্য পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ে তাঁর পক্ষে। সরকারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অজয়কুমার মুখোপাধ্যায় ১৬ মার্চ, ১৯৭০ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে বাধ্য হন। এমতাবস্থায় দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয় পশ্চিমবঙ্গে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সদ্যোজাত কোলে একদিনে ৭০টি রিল! জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সরের ‘আসক্তি’তে বিতর্কের ঝড়
-
‘কালের যাত্রায় পা মিলিয়ে’ মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিধানসভায় চন্দ্রিমা, বৈঠক ঋতব্রত-সন্দীপনদের সঙ্গে
-
রাম মন্দিরের পর এবার বদ্রীনাথেও দানের টাকা চুরি! উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ
-
গাফিলতিতে ঢোকেনি অন্নপূর্ণার টাকা! ধূপগুড়ি পুরসভার ৩২ কর্মীকে শোকজ মহকুমা শাসকের
-
আরেকটু হাত বাড়ানোর কথা বলে ঋতুপর্ণা-অমর্ত্যর ‘নেভার মাইন্ড’, পড়ুন রিভিউ