Kanchrapara

রাতে গ্রেপ্তার, সকালে গারদ থেকে উদ্ধার কাঁচরাপাড়ার যুবকের দেহ! পরিবারের দাবি, ‘পিটিয়ে খুন’

শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার হয় কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কুমার। শুক্রবার সকালে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর যায় পরিবারের কাছে।

সুবীর দাস
সুবীর দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৮:১৭

options
link
রাতে গ্রেপ্তার, সকালে গারদ থেকে উদ্ধার কাঁচরাপাড়ার যুবকের দেহ! পরিবারের দাবি, ‘পিটিয়ে খুন’
কল্যাণী হাসপাতালে মৃত যুবকের পরিবারের লোকজন। নিজস্ব ছবি।

এলাকায় তোলাবাজি-মারামারির অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার হয় কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কুমার। শুক্রবার সকালে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর যায় পরিবারের কাছে। যা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। অভিযোগ,পুলিশ হেফাজতে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। তদন্তের দাবি সরব পরিবার। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোররাতে ওই যুবককে অসুস্থ অবস্থায় লকআপে পড়ে থাকতে দেখেন হালিশহর থানার পুলিশ। কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতাল নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। যুবকের শরীরের একাধিক জায়গায় হাত-পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও অভিযোগ। পরিবারের আরও অভিযোগ, সকালে হালিশহর থানার পুলিশ কল্যাণীর হাসপাতালে বিরজুর মৃতদেহ রেখে চলে যায়। পরিবারের দাবি, বিরজু কুমার কেওয়ার তৃণমূল কর্মী ছিলেন। রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে গতকাল হালিশহর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে অভিযোগ পরিবারের। পুলিশ সূত্রে খবর, তোলাবাজি ও মারামারির ঘটনায় ওই যুবকের খোঁজ চলছিল। পরিবারের দাবি, তিনি নির্দোষ ছিলেন।

Advertisement

পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। সন্ধ্যায় তাঁর স্ত্রী জেলে দেখাও করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিরজু সুস্থই ছিলেন বলে জানান তাঁর স্ত্রী। কিন্তু রাতের মধ্যেই কী এমন ঘটল, যার পরিণতিতে মৃত্যু! তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। কী কারণে মৃত্যু হল, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় কীভাবে বিরজুর মৃত্যু হল এবং তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন কীভাবে এল—এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.