কুশমণ্ডি ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও এক, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নির্যাতিতার

নির্যাতিতাকে দেখতে মালদহ হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮, ১৫:১৬

options
link
কুশমণ্ডি ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও এক, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নির্যাতিতার

বাবুল হক ও রাজা দাস: লোহার রডের মতো কোনও ধাতব বস্তু দিয়েই যৌনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছিল। কুশমণ্ডির মানসিক ভারসাম্যহীন আদিবাসী যুবতীর ধর্ষণে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানালেন চিকিৎসকরা। রাতভর আশঙ্কাজনক ছিল মহিলার শারীরিক পরিস্থিতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের সুপারের নেতৃত্বে চার সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়। আপাতত মহিলার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইটাহার থেকে আন্ধারু বর্মন নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবারই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল রামপ্রসাদ শর্মা নামের একজনকে। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। এদিনই নির্যাতিতাকে দেখতে মালদহ হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

মালদহ মেডিক্যাল কলেজের সুপার অমিত দাঁ জানান, যুবতীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে এখনও অচেতন রয়েছেন তিনি। অবশ্য প্রাণের বিপদ কাটানো গিয়েছে। যৌনাঙ্গের ক্ষত দেখে চিকিৎসকরা মনে করছেন, লোহার রডের মতো কোনও ধাতব বস্তু দিয়েই খোঁচানো হয়েছে। রাতে নাকি একবার জ্ঞান ফিরেছিল আদিবাসী যুবতীর। দু’জনকে চেনেন, ব্যস এইটুকু কথাই তিনি বলতে পেরেছিলেন। মঙ্গলবার বেলা এগারোটায় ডাক্তারদের সঙ্গে পুলিশের বৈঠক হয়। যাবতীয় তথ্য পুলিশকে জানান চিকিৎসকরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[গরুর জলাতঙ্ক, দুধ খেয়ে আতঙ্কে হাসপাতালমুখী কালনার বাসিন্দারা]

Advertisement

রবিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি ব্লকে আদিবাসী মহিলাকে নির্মমভাবে গণধর্ষণ করা হয়। জানা গিয়েছে, যুবতীর মা-বাবা বছর ১৪ আগে মারা গিয়েছেন। প্রায় সাত-আট বছর আগে মেয়েটির বিয়ে হয়েছিল বিহারে। পরবর্তীতে হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন তিনি। তখন থেকেই দেহাবন্দের ঘাটপাড়া এলাকার বাড়িতে থাকতেন। পাড়া-প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের দেওয়া খাবারেই চলত তাঁর। শিবপুজো উপলক্ষে কয়েকদিন ধরে বাউল গান অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাশের জেলা উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ব্লকের পতিরাজপুরে শ্রীমতি নদীরপারে। বাড়ি থেকে সামান্য দূরের ওই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ওই যুবতীও। রাতে মেলা চত্বর থেকে ওই যুবতীকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন। পাশের ব্রিজের নিচে একটি খেতে গণধর্ষণ করা হয়। মহিলার চিৎকারে ছুটে আসেন এলাকার মানুষজন। এরপর ঘটনাস্থলে আসে কুশমণ্ডি ও হরিরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবতীকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই তাঁকে মালদহ মেডিক্যালে পাঠানো হয়। ঘটনার নির্মমতায় অনেকেই একে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করছেন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে বেশ কিছু আদিবাসী সংগঠন।

[বিয়ের এক মাসের মধ্যেই দম্পতির রহস্যমৃত্যু, উঠছে খুনের অভিযোগ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.