দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: এবার নওশাদদের পিঠের চামড়া তোলার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। তাঁর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধীরা। তবে আরাবুলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নওশাদ সিদ্দিকী (Nawsad Siddique)। তাঁর কথায়, “তৃণমূল এরকমই। তবে এভাবে আইএসএফকে দমিয়ে রাখা যাবে না।”
ঘটনার সূত্রপাত আইএসএফের সভাকে কেন্দ্র করে। ভাঙড়ের ঘটকপুকুরে ISF সভা করার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে পালটা সভা করে তৃণমূল। সেই থেকেই বেফাঁস মন্তব্য করেন আরাবুল ইসলাম। আই এস এফকে তীব্র আক্রমন করেন আরাবুল ইসলাম ও শওকত মোল্লারা। আরাবুল বলেন, “নওশাদ উন্নয়নের কিছু বোঝে না। ভাঙড়ে উন্নয়ন না তার বদলে আই এস এফের পিঠের চামড়া তুলে নিতে হবে। কারণ, এরা উন্নয়ন চোখে দেখতে পায় না। এরা শুধু মার বোঝে। তাই এদের পিঠে মারতে হবে।” এই মন্তব্যে তোলপাড় ভাঙড়। আরাবুলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা।
[আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে ২১ মে পুরুলিয়ায় অভিষেক, প্রতিবাদের প্রস্তুতি কুড়মি সমাজের]
এদিকে এলাকার এক আই এস এফ নেতা ফিরোজ খান বলেন, “ভাইজানের সভায় আমাদের গ্রাম থেকে প্রচুর সমর্থক গিয়েছিল। সেই আক্রোশে তৃণমূল নেতা বাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে আমাদের সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি হয়েছে। তাতে এক শিশু আহত হয়েছে।” যদিও বোমাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা বাহারুল ইসলাম। তাঁর কথায়, “আমরা সভার প্রস্তুতি নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত ছিলাম। আমরা কেন বোমা ফাটাতে যাব কেন? মিথ্যা অভিযোগ এটা। ওঁরা নিজেরাই বোমা ফাটিয়ে আমাদের নামে বদনাম করার চেষ্টা করছে।”
[আরও পড়ুন: গুলি-বোমা ভুলে উন্নয়নের মন্ত্রে মজে শাসন, মজিদ মাস্টারের ‘ডেরা’ এখন পোড়ো বাড়ি]
সর্বশেষ খবর
-
পানিহাটি শ্মশানঘাটে সেদিন কী ঘটেছিল? শুভেন্দুর নির্দেশের পরই নয়া এফআইআর অভয়ার বাবার
-
‘বান্ধবী’ কোমলের সঙ্গে বিমানবন্দরে গোবিন্দা! সুনীতার খোঁচা ‘ওঁর মতিভ্রম হয়েছে’
-
বিএনপি-র মহাসচিব থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি! দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের