শিলিগুড়ি-মিরিক সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে তোড়জোড়, বেইলি ব্রিজ বানাচ্ছে সেনা

সেনাবাহিনীর হাত ধরে স্বাভাবিক হতে চলেছে শিলিগুড়ি-মিরিক সড়ক যোগাযোগ। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজ। গত বৃহস্পতিবার রাতের অতিভারী বৃষ্টিতে বালাসন নদীতে জলস্ফীতি ঘটে। জলের তীব্র স্রোত স্টেট হাইওয়ে ১২-র উপর থেকে হিউমপাইপের অস্থায়ী সেতুর একাংশ ভেঙে নিয়ে চলে যায়।

Advertisement ad
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২১:১৬

options
link
শিলিগুড়ি-মিরিক সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে তোড়জোড়, বেইলি ব্রিজ বানাচ্ছে সেনা zoom
সেতু বানাচ্ছে সেনা। ছবি- সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর হাত ধরে স্বাভাবিক হতে চলেছে শিলিগুড়ি-মিরিক সড়ক যোগাযোগ। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজ। গত বৃহস্পতিবার রাতের অতিভারী বৃষ্টিতে বালাসন নদীতে জলস্ফীতি ঘটে। জলের তীব্র স্রোত স্টেট হাইওয়ে ১২-র উপর থেকে হিউমপাইপের অস্থায়ী সেতুর একাংশ ভেঙে নিয়ে চলে যায়। হিউমপাইপগুলো জলের স্রোতে এক থেকে দেড়শো মিটার দূরে ভেসে গিয়েছে। ফলে শুক্রবার ভোর থেকে দুধিয়া হয়ে রাজ্য সড়ক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক পথে শিলিগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মিরিক।

এরপরই রাজ্যের তরফে সেনাবাহিনীর কাছে বেইলি ব্রিজ তৈরির আবেদন করা হয়। শনিবার এবং রবিবার পরপর দু’দিন সেনা আধিকারিকরা দুধিয়ায় বিভিন্নভাবে মাপজোখ করেন। রবিবার দুপুরে দার্জিলিংয়ে জেলা শাসক হরিশংকর পানিক্কার এবং সেনা আধিকারিকরা একসঙ্গে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। মঙ্গলবার থেকে বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। এদিনই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় যান পূর্ত দপ্তরের প্রধান সচিব অন্তরা আচার্য, চিফ ইঞ্জিনিয়ার সহ অন্য আধিকারিকরা। শিলিগুড়ি থেকে ক্ষতিগ্রস্ত অস্থায়ী সেতুটির দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। দুধিয়ার ওই সেতু মিরিক উপত্যকার সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

এটি ভারত-নেপাল সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। সেতুটি ভেঙে পড়ায় সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং যাত্রীদের বিকল্প পথের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অনুরোধ করেছিলেন বেইলি ব্রিজ নির্মাণের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনকে কাজে লাগানো হয়। সেটাই হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন