Sukanta Majumder

‘উনি যদি দিদিমণিকে ছেড়ে চলে যান…’, মমতা ‘মিত্র’হারা হতেই কোন ভবিষদ্বাণী মনে করালেন সুকান্ত?

সুকান্ত দাবি করেন, 'ভোটের আগে আমি বহুবার বলেছিলাম, তৃণমূল কংগ্রেস হারার পর পিসি ও ভাইপো ছাড়া আর কেউ দলে থাকবে না। সেই ভবিষ্যদ্বাণীই এখন সত্যি হতে শুরু করেছে।'

সুবীর দাস
সুবীর দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ২০:২২

options
link
‘উনি যদি দিদিমণিকে ছেড়ে চলে যান…’, মমতা ‘মিত্র’হারা হতেই কোন ভবিষদ্বাণী মনে করালেন সুকান্ত?
সুকান্তর ভবিষদ্বাণী সত্যি হল!

‘একে একে শুকাইছে ফুল এবে, নিবিছে দেউটি।’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’র এই লাইনটি বর্তমানে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে একেবারে সামঞ্জস্য। অনুব্রত মণ্ডলের পর বুধবার ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ‘কালারফুল বয়’ মুখ মদন মিত্র। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মদন মিত্র বাংলা রাজনীতির একজন বর্ণময় চরিত্র এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো নেতাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি দিদিমণিকে ছেড়ে চলে গেলে, তা হলে মনে হয় না দলটি আর আগের অবস্থায় থাকবে।”

Advertisement

সুকান্ত দাবি করেন, “ভোটের আগে আমি বহুবার বলেছিলাম, তৃণমূল কংগ্রেস হারার পর পিসি ও ভাইপো ছাড়া আর কেউ দলে থাকবে না। সেই ভবিষ্যদ্বাণীই এখন সত্যি হতে শুরু করেছে। আগামী দিনে পিসি-ভাইপো থাকবেন, কিন্তু দল থাকবে না।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “দলের পুরনো নেতারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যারাসুট জাম্পিং মেনে নিতে পারছেন না। রাজনীতিতে এসে তিনি সমস্ত ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে গিয়েছেন। সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে চলে গিয়েছে। মদন মিত্রের এলাকাতেও তাঁর প্রভাব কমে গেছে। মদন মিত্র কি তা মেনে নেবেন?”

Advertisement

অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অনুব্রত মণ্ডলই বলতে পারবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে কী করেছিলেন। যদি তাঁর মনে হয় অভিষেকের জন্যই তাঁকে জেলে যেতে হয়েছে, তাহলে সেই কথা তখনই বলা উচিত ছিল। ইডির আধিকারিকদের কাছেও অভিষেকের নাম বলা উচিত ছিল।”

Advertisement

এদিন কল্যাণীর ভারতীয় বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইআইএসইআর)-এ এসে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি শিবপুরকে আইআইটি করার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে প্রথমে রাজ্য সরকারকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে হবে। এখনও কোনও প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কিছু বলেছেন। ভবিষ্যতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ নেবে, তা অনেকটাই রাজ্য সরকারের উদ্যোগের উপর নির্ভর করবে। অতীতে রাজ্য সরকার রাজি না হওয়ায় আইআইইএসটি (IIEST) হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের আগে আইনি ও প্রশাসনিক বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতে হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.