Katwa

কাটোয়ায় ‘মৎস্যকন্যা’র জন্ম! আয়ু মাত্র ৪ ঘণ্টা

বছর আটেক আগে কলকাতার একটি হাসপাতালে 'মারমেড বেবি'র জন্ম হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৫, ১৩:২২

options
link
কাটোয়ায় ‘মৎস্যকন্যা’র জন্ম! আয়ু মাত্র ৪ ঘণ্টা
প্রতীকী ছবি

ধীমান রায়, কাটোয়া: এবার ‘মৎস্যকন্যা শিশু’ বা ‘মারমেড বেবি’র জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ায়। কোমরের নিচে থেকে দুই পা একসঙ্গে জুড়ে রয়েছে। আকৃতি অনেকটা মাছের লেজের মতন। জন্মের চারঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় তার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, কাটোয়া থানার করজগ্রামের বাসিন্দা এক মহিলাকে প্রসববেদনার কারণে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাত একটা নাগাদ মহিলার অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করানো হয়। কন্যাসন্তান প্রসব করেন ওই বধূ। প্রায় আড়াই কেজি ওজনের ওই নবজাতককে দেখার পরেই চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাজ্জব হয়ে যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement

 

মহিলার চিকিৎসা করছিলেন কাটোয়া হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তাঁর কথায়,”আমি আমার ৩৩ বছরের চিকিৎসকের জীবনে এই ধরনের শিশুর জন্ম দেখিনি। ইতিপূর্বে কাটোয়া হাসপাতালে এই ধরনের শিশু জন্মানোর নজির নেই। এই ধরনের শিশুকে ‘মারমেড বেবি ‘বলে। এটি বিরলতম ঘটনা।” রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন,”মারমেড বেবি সবসময়ই ফিমেল হয়। তবে মারমেড বেবি বেশিক্ষণ বাঁচে না। শারিরীক পরিস্থিতি দেখে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করাও হয়। তবুও এই শিশুটি প্রায় চার ঘন্টা বেঁচে ছিল। জন্মের পর হাত পা ও ছুড়ছিল।” জানা গিয়েছে এদিন বুধবার খুব সকালে চিকিৎসারত অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তবে তার মা সুস্থ রয়েছেন। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গিয়েছে, করজগ্রামের ওই বধূর এটি ছিল দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম সন্তানটিও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই প্রসব করানো হয়েছিল। তিনবছর বয়স। তবে প্রথম সন্তান সুস্থ স্বাভাবিক। মহিলার স্বামী ভিনরাজ্যে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন।

উল্লেখ্য, বিদেশে মাঝেমধ্যে এই ধরনের শিশুর জন্মের খবর পাওয়া যায়। বছর আটেক আগে কলকাতার একটি হাসপাতালে ‘মারমেড বেবি’র জন্ম হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের মহকুমাস্তরের কোনও হাসপাতালে এই ধরনের মৎসকন্যা শিশুর জন্মের নজির ছিল না। এবার সেই তালিকায় উঠে এল কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের নাম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন