Nirmal Ghosh

অভয়া মামলায় মিলল জামিন, গারদের ওপারেই থাকতে হবে নির্মল ঘোষকে

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। কিন্তু এখনই জেল থেকে বেরতে পারছেন না তিনি। তোলাবাজি ও লটারি মামলায় আগেই ৭ ও ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ রয়েছে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ২১:৩৯

options
link
অভয়া মামলায় মিলল জামিন, গারদের ওপারেই থাকতে হবে নির্মল ঘোষকে
গারদের ওপারেই থাকতে হবে নির্মল ঘোষকে। ফাইল ছবি

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। কিন্তু এখনই জেল থেকে বেরতে পারছেন না তিনি। তোলাবাজি ও লটারি মামলায় আগেই ৭ ও ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ রয়েছে। ফলে অভয়ার মামলায় জামিন মিললেও গারদের ওপারেই থাকতে হবে নির্মলকে। একই দিনে জামিন পেলেন অভয়ার প্রতিবেশী ‘কাকু’ সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ১৩ আগস্ট বালাসোর থেকে গ্রেপ্তারের পর অভয়া মামলায় ১৫ দিন পুলিশ হেফাজতে ছিলেন নির্মল। গত শনিবার আরও দু’দিনের হেফাজত শেষে সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। ফের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করে পুলিশ। তা খারিজ করে অভয়া মামলায় নির্মলকে জামিন দেয় আদালত। অস্ত্র আইনের একটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদনও করেছিল পুলিশ। সেই আবেদনও খারিজ হয়েছে। সঞ্জীবকেও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত তা খারিজ করে তাঁকে জামিন দেয়।

Advertisement

সঞ্জীবের আইনজীবী আদালতে অভয়ার বাবার পুরনো একটি ভিডিও’র বক্তব্য তুলে ধরে দাবি করেন, ওই ভিডিও’য় অভয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন সঞ্জীব তাঁর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন। পালটা অভয়ার বাবার আইনজীবী জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিয়ো ক্লিপিং গ্রহণযোগ্য নয়। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সঞ্জীবকে জামিন দেয় আদালত। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার বাবা শেখররঞ্জন দেবনাথ। তবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। 

Advertisement

আর জি কর কাণ্ডে অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগ উঠেছিল। সেসময় পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শ্মশানে ছিলেন। নির্মলের নির্দেশেই দ্রুত দাহকার্য হয়েছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর গা ঢাকা দিয়েছিলেন নির্মল। গত ৯ আগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ দ্রুত সৎকারের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ ছিল, দ্রুত অভয়ার দেহ সৎকার করে প্রমাণ লোপাট করা হয়েছিল। পরিবারের থেকে ক্রিমেশনের খরচও নেওয়া হয়নি। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই সৎকার করা হয় দেহ। এই ঘটনায় শুভেন্দুর নিশানায় ছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.