Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

তৃণমূলের পর এনসিপিআই! কার্যালয় ফিরে পেতে আদালতে অধীর, ‘এ তো দিল্লির মসনদ’, তাজ্জব হাই কোর্ট

‘দখলের’ ইতিহাস শুনেই দিল্লির মসনদের সঙ্গে তুলনা করেন বিচারপতি।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৯:২৯

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
তৃণমূলের পর এনসিপিআই! কার্যালয় ফিরে পেতে আদালতে অধীর, ‘এ তো দিল্লির মসনদ’, তাজ্জব হাই কোর্ট zoom
দলীয় কার্যালয় ফেরত চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অধীর চৌধুরী।
Advertisement

মুর্শিদাবাদে খোদ কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ। প্রথমে তৃণমূল, এরপর এনসিপিআই! সেই দপ্তর ফেরত চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী। যদিও এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করেনি কলকাতা হাই কোর্ট। তবে এহেন দখলদারির অভিযোগ শুনে রীতিমতো ‘তাজ্জব’ হয়ে যান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বিচারপতির মন্তব্য, “দখলদারি দেখে দিল্লির মসনদ মনে হচ্ছে। প্রথমে ঘোরি দখল নিল, তারপর সুলতান, তারপর মুঘল, আর শেষে ব্রিটিশরা।”

রাজ্যে পালাবদলের পর পার্টি অফিস ফেরত চেয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ।

ঘটনার সূত্রপাত ২০০২ সালে। স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব মুর্শিদাবাদের নওদায় একটি ভবন কেনেন। তৈরি করেন নিজেদের দলীয় কার্যালয়। সেখানেই আবু তাহের বসতেন। যদিও ২০১৮ সালে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। এরপরেই ওই পার্টি অফিসের দখল চলে যায় তৃণমূলের হাতে। বর্তমানে এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন আবু তাহের। স্বভাবতই ওই পার্টি অফিস এখন এনসিপিআইয়ের ‘দখলে’। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পর পার্টি অফিস ফেরত চেয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে গত ৮ আগস্ট ওই পার্টি অফিস দখল করতে কংগ্রেস কর্মীরা যান বলে অভিযোগ। কিন্তু পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি। 

Advertisement

এরপরেই দলীয় কার্যালয় ফেরত চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অধীর চৌধুরী। আজ, সোমবার এই সংক্রান্ত মামলায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আইনজীবীরা জানান, কংগ্রেসের কার্যালয় থাকলেও প্রথমে তৃণমূল এবং সবশেষে এনসিপিআই-এর দখলে ওই দলীয় কার্যালয়। এহেন ‘দখলের’ ইতিহাস শুনেই দিল্লির মসনদের সঙ্গে তুলনা করেন বিচারপতি। তবে হাই কোর্ট এই সংক্রান্ত মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করেনি। আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, এটি সম্পূর্ণ ‘সিভিল’ সংক্রান্ত বিষয়। ‘রিট’ কোর্টে বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা আবেদন জানিয়েছেন। আর সেই কারণেই কার্যালয় নিয়ে কোনও নির্দেশ দিতে পারে না সংশ্লিষ্ট আদালত। তবে মামলাকারী চাইলে সিভিল কোর্টে আপিল জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.