রাজা দাস, বালুরঘাট: রোগী পরিষেবা উন্নত করতে এবং অপচয় কমাতে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে চালু হচ্ছে রক্তের উপাদান পৃথকীকরণ ইউনিট। জানা গিয়েছে, এতদিন পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও শুধু লাইসেন্সের অভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে সমস্যা মিটল, হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের পাশেই তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক ইউনিট।
[আরও পড়ুন: বনধে মিশ্র প্রভাব বসিরহাটে, ভ্যাবলায় রেল অবরোধ বিজেপি কর্মীদের]
জানা গিয়েছে, রক্তে অনুচক্রিকা কমতে থাকাই ডেঙ্গির প্রধান লক্ষণ। সাধারণত সুস্থ মানুষের দেড় থেকে চার লক্ষ কুড়ি হাজার অনুচক্রিকার প্রয়োজন। তাই ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের অনুচক্রিকার যোগান দিতে হয় চিকিৎসকদেরই। বালুরঘাট সদর-সহ জেলার হাসপাতালগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অনুচক্রিকা আনা হত মেডিক্যাল কলেজ থেকে। কারণ, ওই হাসপাতালে রক্তের উপাদান পৃথকীকরণ এর ব্যবস্থা ছিল না। আবার থ্যালাসেমিয়া রোগীদের প্রয়োজন লোহিত রক্ত কণিকার। হিমোফিলিয়া রোগীদের ফ্যাক্টর-৯, অগ্নিদগ্ধ রোগীদের জন্য রক্তরস বা প্লাজমার মতো উপাদান প্রয়োজন হয় বেশি। অথচ এতদিন সব উপাদান থাকা রক্তই দেওয়া হতো রোগীদের।
রক্তের এই অপচয় বন্ধ করতে এবার জেলা হাসপাতালে রক্তের উপাদান পৃথকীকরণ ব্যবস্থা চালু করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় বালুরঘাট সদর হাসপাতালে গড়ে তোলা হয়েছে এই ইউনিট। ইউনিটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে জেলা ব্লাড ব্যাংককে নতুন করে সাজানো হয়েছে। তার পাশেই তৈরি হচ্ছে রক্তের উপাদান পৃথকীকরণ ইউনিট।
[আরও পড়ুন: এক রাতের আতঙ্ক এখনও বিরাজমান, ভয়ে ভাঙিপাড়া ছাড়ছেন গ্রামবাসীরা]
জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে বলেন, “রক্ত পৃথকীকরণ ইউনিট তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। অত্যাধুনিক যন্ত্র ও পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি টেকনিশিয়ানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। শুধুমাত্র ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসের লাইসেন্স এর জন্য এতদিন অপেক্ষা করা হচ্ছিল। সেই লাইসেন্সও হাতে এসে গিয়েছে।” জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই ওই ইউনিটের উদ্বোধন হবে।
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট