Bangladeshi Infiltrators

মেনুতে মাছ-মাংস-ডিম, হোল্ডিং সেন্টারে ‘বিদেশি’ অতিথিদের জন্য এলাহি আয়োজন!

বাংলাদেশে পুশব্যাকের আগে সুখ-সাচ্ছন্দ্যের বালাই নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১১:৪২

options
link
মেনুতে মাছ-মাংস-ডিম, হোল্ডিং সেন্টারে ‘বিদেশি’ অতিথিদের জন্য এলাহি আয়োজন!
মেনুতে মাছ-মাংস-ডিম, হোল্ডিং সেন্টারে 'বিদেশি' অতিথিদের জন্য এলাহি আয়োজন!

এ যেন বিদেশিদের অতিথি নিবাস! ঝাঁ চকচকে পাকা ভবনে রাত্রিযাপন। এক-একটি ঘরে একাধিক সিলিং ফ্যান। ঘুমেও কোনওরকম ব্যাঘাত ঘটছে না। আর খাওয়াদাওয়ায় এলাহি আয়োজন। মেনুতে মাছ, মাংস, ডিম। সঙ্গে সরু চালের ভাত, দেশি গমের রুটি। আর বাচ্চাদের দেওয়া হচ্ছে চারবেলা দুধ। সঙ্গে বেবি ফুড। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে নতুন নতুন পোশাক। স্নানের জন্য সুগন্ধি সাবান, এমনকী শ্যাম্পুও! এমনই বন্দোবস্ত করা হয়েছে মালদহের হোল্ডিং সেন্টারে, যেখানে রাখা হয়েছে অবৈধভাবে সীমান্ত টপকে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিদের।

Advertisement

অনুপ্রবেশকারী হলেও বাংলাদেশে পুশব্যাকের আগে তাঁদের যেন সুখ-সাচ্ছন্দ্যের বালাই নেই। বুধবার মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, “হোল্ডিং সেন্টারে যাঁরা থাকছেন তাঁদের থাকা-খাওয়াদাওয়ার সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল প্রশাসন ভালো খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্ত করেছে।” রান্নার জন্য স্বনির্ভর মহিলা গোষ্ঠীর মহিলারা নিযুক্ত। চারবেলা দেওয়া হচ্ছে খাবার। বড়দের রুটি, ভাত। মাছ, মাংস, ডিম।

Advertisement

উত্তরবঙ্গে প্রথম হোল্ডিং সেন্টার সোমবার থেকে চালু করা হয়েছে মালদহের ইংলিশবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে। স্বনির্ভর দলের মহিলাদের বিপণন কেন্দ্রের পাকা ঝাঁ চকচকে ভবনে। চারপাশে তিনজন পুলিশ আধিকারিক, এক ডজন পুলিশ কর্মী এবং একাধিক সিভিক ভলান্টিয়ার। থাকছেন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও। বসানো হয়েছে হ্যালোজেন লাইট এবং সিসি ক্যামেরা। হ্যালোজেন লাইটে রাতভর এলাকা আলোকিত থাকছে। পুলিশ সুপার জানান, সেন্টারে নতুন কোনও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আনা হয়নি। বর্তমানে তিন মহিলা, ছয় শিশু ও বালক-সহ ন’জন। রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তর রিপোর্ট করবে। বিএসএফ চাইলেই হেফাজতে দেওয়া হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.