দয়াময় মুখোপাধ্যায়, খাতড়া: এবার আর ছাপ নয়, সিমলাপালের জঙ্গলে স্বয়ং দেখা দিলেন দক্ষিণ রায়। এমনটাই দাবি সিমলাপালের পিঠাবাঁকড়া গ্রামের বাসিন্দাদের। বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন গ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু রায়। দরজা খুলতেই দেখেন অন্ধকারে দাঁড়িয়ে রয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল। সঙ্গে সঙ্গেই ভয়ে দরজা বন্ধ করে দেন তিনি। এরপর বাঘ বাঘ বলে চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে বাড়ির সামনে জড়ো হন গ্রামবাসীরা। হিমাংশু রায় বলেন, “আমি দরজা খুলতেই দেখি অন্ধকারে বাঘ দাঁড়িয়ে রয়েছে। তখনই চিৎকার করে গ্রামের লোকজনদের জড়ো করি। খুব আতঙ্কে রয়েছি।”
[বিরলতম রোগে আক্রান্ত সদ্যোজাত, ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় মা-বাবা]
এদিন রাতেই বন দপ্তরে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে আসেন রেঞ্জার, বনকর্মী ও পুলিশ। তাঁরা এসে গ্রামে বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেন। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। সিমলাপাল ও সারেঙ্গা বন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জার বাসুদেব রাজোয়াড় বলেন “আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বাঘের অস্তিত্ব নেই এ কথাও আর বলতে পারছি না। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” যদিও এই ঘটনার পর আতঙ্ক চরমে উঠেছে সিমলাপালের পিঠবাঁকড়া গ্রামে। এখনও বাঘের আতঙ্কে সিঁটিয়ে রয়েছেন হিমাংশু রায়ের পরিবারের সদস্যরা। পরিস্থিতি এমনই আশপাশের বাড়ির লোকেরাও দিনের বেলাতেও খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোতে ভরসা পাচ্ছেন না। বন দপ্তরের আশ্বাস সত্ত্বেও তাই ভরসা পাচ্ছেন না গ্রামের বাসিন্দারা।
[ফের ভাঙা হল শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি, তুলকালাম দেশ জুড়ে]
সর্বশেষ খবর
-
মিষ্টিতে হোলির রং, ক্ষতিকারক রং বিরিয়ানিতেও! আরামবাগ অভিযানে চোখ কপালে সরকারি আধিকারিকদের
-
ভারী বৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিধস সিকিমে! একাধিক জায়গায় জারি লাল সতর্কতা, শঙ্কায় পর্যটকরা
-
টানা ব্যর্থতার পর তড়িঘড়ি গম্ভীর-আগরকর-লক্ষ্মণকে তলব বিসিসিআইয়ের, চাকরি যাবে কার?
-
নেশামুক্ত বাংলা গড়ার ডাক, পাচারের আগেই লক্ষ লক্ষ কফ সিরাপে রোড রোলার চালালেন শুভেন্দু
-
‘অমানবিক অত্যাচার হয়েছে’, কৃষক ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার বিজয়ের