দেবব্রত মণ্ডল,ক্যানিং: আনুষ্ঠানিক ভাবে লোকসভা (Lok Sabha Election) ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election commission of India)। বাংলায় ৭ দফায় নির্বাচন ঘোষণা করেছে কমিশন। ভোটঘোষণার দিনই জয়নগর(Jaynagar) কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সর্মথনে ক্যানিংয়ে একটি পথসভা করেন ভাঙ্গড়ের পর্যবেক্ষক তথা ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা (Shaukat Mulla)। ওই সভায় ভাঙ্গড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে (Naushad Siddiqui) কড়া ভাষায় বিঁধলেন তিনি। শওকত বলেন, “হেলে ধরে পারে না কেউটে ধরবে। বলে নাকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।”
গতবছর আইএসএফ (ISF) নেতা নওশাদ সিদ্দিকী ঘোষণা করেন, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে চান তিনি। তবে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করা হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই বাংলার রাজনৈতিক মহলে ডায়মন্ড হারবার নিয়ে পারদ চড়তে থাকে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারীও নওশাদকে সর্মথন করেন।
[আরও পড়ুন: CAA-বিরুদ্ধে উসকানি! মতুয়া গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই থানায় দায়ের অভিযোগ]
কিন্তু ভোটের মুখে হঠাৎই পিছু হটেছেন নওশাদ। আইএসএফ লোকসভায় যে কেন্দ্রগুলিতে প্রার্থী দিতে চায় সেখানে নাম নেই ডায়মন্ড হারবারের। জয়নগরের এক সভা থেকে নওশাদ সিদ্দিকীকে সেই নিয়েই ব্যঙ্গ করলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বললেন, “গ্রামের দিকে একটা কথা আছে না হেলে ধরতে পারে না আবার কেউটে ধরবে। একটা বুথে জেতার যার ক্ষমতা নেই, কোনও রকম ভাবে ভোটে জিতেছে সে আবার বলছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বে। অভিষেক তো অনেক দূর ও এই দক্ষিণ ২৪ পরগণার যে কোনও লোকসভায় জিতে দেখাক। যেখানেই দাঁড়াক না কেন ল্যাজেগোবরে অবস্থা হবে। ও যে কথা বলেছিল তা পুরোপুরি গিমিক। প্রচারের থাকার চেষ্টা মাত্র।”
[আরও পড়ুন: শাসকদলে যোগ দিতে চাপ! পুরুলিয়ায় নিখোঁজ বিজেপি সদস্যা ও তাঁর স্বামী]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাঠানদের বলো চৌহান আসছে’, অজয় দেবগনের গর্জনে খেপে লাল ক্ষত্রিয় পরিষদ! বিতর্ক চরমে
-
সব হারিয়ে ভাঙল ঘুম! অত্যাচারে ঘরছাড়াদের আইনি সহায়তা দিতে শুরু ‘এক ডাকে অভিষেক’
-
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?