Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬
Howrah

বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ

এদিন রেল পুলিশ ও রেলের পদস্থ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিকরাও উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৬:১৮

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ zoom
শালিমার স্টেশনের বাইরেও চলল বুলডোজার।
Advertisement

হাওড়া, টিকিয়াপাড়ার পর এবার শালিমার স্টেশনের বাইরেও এবার বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল কর্তৃপক্ষ। আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকে দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে শুরু হয় এই উচ্ছেদ অভিযান। বিশাল সংখ্যায় রেল পুলিশ, হাওড়া সিটি পুলিশ ও র‍্যাফ মোতায়েন করে ৪টি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল হাওড়ার অন্যতম বড় বস্তি বলে পরিচিত শালিমারের নেপালি বস্তির ১৪২টি ঘরবাড়ি ও দোকানঘর। যার ফলে গৃহহারা হলেন এক হাজারের বেশি মানুষ। রাতারাতি ছাদ হারিয়ে দিশেহারা মানুষজন।

রেলের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, ”মোট ১৪১টি দোকান ও বাড়িঘর বেআইনিভাবে গজে উঠেছিল। সেগুলি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বাসিন্দাদের উঠে যাওয়ার নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেউ উঠে যাননি। আর সেই কারণেই এদিন ভেঙে দেওয়া হল।”

রেলের দাবি, বেআইনিভাবে দীর্ঘ ৫০-৬০ বছর ধরে ওই জায়গা আটকে রাখা হয়েছিল। বারবার নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু জায়গা ফাঁকা হয়নি। এদিন রেল পুলিশ ও রেলের পদস্থ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিকরাও উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে রেল কোনও পুনর্বাসন না দিয়েই এতগুলি পরিবারকে একসঙ্গে উচ্ছেদ করে দেওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি ও দোকান ভাঙার সময় বিক্ষোভ দেখান গৃহহীনরা। এদিন গৃহহীনদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব। ডিওয়াইফাই নেতা সুমিত্র অধিকারী জানান, শালিমারে উচ্ছেদ নিয়ে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ রয়েছে। মঙ্গলবার তা নিয়ে আদালতে শুনানিও রয়েছে। কিন্তু সেই স্থগিতাদেশ অমান্য করেই এদিন রেল ও রাজ্য সরকারের তরফে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাড়িঘর দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে রেলের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, ”মোট ১৪১টি দোকান ও বাড়িঘর বেআইনিভাবে গজে উঠেছিল। সেগুলি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বাসিন্দাদের উঠে যাওয়ার নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেউ উঠে যাননি। আর সেই কারণেই এদিন ভেঙে দেওয়া হল।” ওই আধিকারিকের কথায়, সব দোকান রেলের জমিতেই রয়েছে তা নয়, কিছুটা রাজ্য সরকারের জমি রয়েছে। এই বিষয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে জবরদখলকারী বাসিন্দাদের উঠে যেতে মাইকিং থেকে শুরু করে নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও অধিকাংশ বাসিন্দা ঘর ছেড়ে চলে যাননি। তাই বাধ্য হয়েই এই অভিযান বলে দাবি রেলের। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.