Birbaha Hansda

‘৩০ টাকার কাপ কেক, তাতেও নজর’, বিজয়া সম্মিলনীতেও বীরবাহার নিশানায় বিজেপি

তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে বুধবার ত্রিপুরা গিয়ে কেক কাটা বিতর্কে জড়ান বীরবাহা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৫, ২১:৩২

options
link
‘৩০ টাকার কাপ কেক, তাতেও নজর’, বিজয়া সম্মিলনীতেও বীরবাহার নিশানায় বিজেপি

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: কেক বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার পর সেখানকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। জন্মদিনের মধ্যে এই সফর হওয়ায় সেখানে বীরবাহার কেক কেটে উদযাপন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সোশাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও পোস্ট করেও নানা কটাক্ষ করা হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে আগেই বীরবাহা ‘নিম্নরুচির রাজনীতি’ বলেছিলেন বীরবাহা হাঁসদা। এবার তিনি বিজেপির সেই কটাক্ষ নিয়ে জনতাকে সতর্ক করলেন। বাঁকুড়ার বিজয়া সম্মিলনীতে গিয়ে তিনি বললেন, ”নিজের পেট ভরাব বলে কাপ কেক কিনেছিলাম। ৩০ টাকার কাপ কেক, তাতেও নজর লেগে গেল ওদের (বিজেপি)। সুতরাং ক্ষমতায় এলে আপনার খাবার, আপনি ছেলেমেয়েকে কী খাওয়াচ্ছেন এসবেও নজর দেবে। এমনই অবস্থা বিজেপি নেতাদের।”

Advertisement

এই বিতর্কের সূত্রপাত বুধবার। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল-সহ একাধিক নেতানেত্রী ত্রিপুরার হোটেলে বীরবাহা হাঁসদার কেক কাটার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। তাতে দেখা গিয়েছে, বীরবাহার সঙ্গে থাকা তৃণমূল নেতানেত্রীদেরও তিনি কেক খাইয়ে দিচ্ছেন। এভাবে নিজের জন্মদিন উদযাপন করছেন বলে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটাক্ষ ধেয়ে আসে। গেরুয়া শিবিরের খোঁচা, আসলে ত্রিপুরা গিয়ে জন্মদিন পালন হচ্ছে। পালটা তার জবাব দেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদাও। তিনি বলেন, “ভোর চারটে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছই। খুব খিদে পেয়েছিল। আমি কাপ কেক কিনেছিলাম। সহকর্মীরা আমাকে ‘শুভ জন্মদিন’ বলে শুভেচ্ছা জানায়। তাই আমার খাওয়া কেক একটু করে ওঁদেরও খাইয়েছিলাম। আমার খারাপ লাগল। আমি আদিবাসী মেয়ে বলে আমার কেক খাওয়াটা ওদের গায়ে লেগেছে।”

Advertisement

শুক্রবার বাঁকুড়ায় বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দিয়ে সেই কেক প্রসঙ্গেই বিজেপিকে আক্রমণ করলেন বীরবাহা। এই অঞ্চলে বিজেপি যেন একটাও আসন না পায়, সেই আহ্বান জানিয়ে তিনি ঘাসফুল শিবিরের সকলকে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দেন। তারপরই বিজেপি বিরোধিতায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। বলেন, ”নিজের পেট ভরাব বলে কাপ কেক কিনেছিলাম। ৩০ টাকার কাপ কেক, তাতেও নজর লেগে গেল ওদের (বিজেপি)। সুতরাং ক্ষমতায় এলে আপনার খাবার, আপনি ছেলেমেয়েকে কী খাওয়াচ্ছেন এসবেও নজর দেবে। এমনই অবস্থা বিজেপি নেতাদের। নরেন্দ্র মোদি প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে জন্মদিনে কেক কাটেন, বিজেপি পার্টি অফিসে খরচ করে কেক খাওয়ানো হয়। তখন কেউ কিছু বলে না। আমি একজন দরিদ্র, তৃণমূল কংগ্রেসের আদিবাসী কর্মী। আমি ৩০ টাকার কাপ কেক কাটলে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.