আউশগ্রামে তৃণমূল পার্টি অফিসে বিস্ফোরণের ঘটনায় NIA তদন্ত দাবি বিজেপির

পার্টি অফিসে জেহাদি কার্যকলাপের অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৭, ১৪:৪৪

options
link
আউশগ্রামে তৃণমূল পার্টি অফিসে বিস্ফোরণের ঘটনায় NIA তদন্ত দাবি বিজেপির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটনার পর কেটে গিয়েছে দুদিন। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে তৃণমূল পার্টি অফিসে বিস্ফোরণের ঘটনায় শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত। পার্টি অফিসে জেহাদি কার্যকলাপ চলছিল অভিযোগ তুলে এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে যায় একটি প্রতিনিধি দল। বিজেপির অভিযোগ, ওই পার্টি অফিস থেকে অপরাধমূলক কাজকর্ম চালাত তৃণমূল। পার্টি অফিসে মজুত করা বোমা ফেটেই বিস্ফোরণ হয়। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদিকা লকেটের অভিযোগ, পার্টি অফসিকে সামনে রেখে বোমা তৈরি চলছিল। জেহাদি কার্যকলাপ চলছে। খাগড়াগড়ের মতোই এখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। ৪-৫ জন মারা গিয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর খবর স্বীকার করছে না।

Advertisement

[বোমা ফেটে ধূলিসাত্‍ তৃণমূলের পার্টি অফিস]

প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণ পর থেকেই নিখোঁজ স্থানীয় বাসিন্দা হান্টার শেখ। তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন লকেট। অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দাবি, বাইরে থেকে ঝোলা ভর্তি করে সিপিএমের লোকজন পার্টি অফিস লক্ষ্য করে বোমা ছুড়েছে। উল্লেখ্য, স্থানীয় সূত্রে খবর, আউসগ্রামের পিচকুড়ি গ্রামে ঢোকার মুখেই তৃণমূলের ব্লক কার্যালয়টি ছিল৷ ওই গ্রামেই বাড়ি আউসগ্রাম-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ টগর ওরফে সালেক রহমানের৷ রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রবল শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে৷ ইটের গাঁথুনি অ্যাসবেস্টরের চাল-সমেত ওই ঘরটি ধূলিসাৎ হয়ে যায়৷ স্থানীয়রা জানান, তখন কয়েকজন ঘরে বসে টিভি দেখছিলেন৷ সেই সময় বিস্ফোরণ ঘটে৷ আহতদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশ যাওয়ার আগেই৷ তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছেন৷ গভীর রাত পর্যন্ত অবশ্য তার দেহ পাওয়া যায়নি৷ রাতের দিকে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে যান৷ গ্রামের লোকজন এখনও কার্যত আতঙ্কে রয়েছেন৷

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.