বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: এই রাজ্যে কোনও মানুষেরই নিরাপত্তা নেই। এই রাজ্যে এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়ে গিয়েছে, বাংলায় আদৌ গণতন্ত্র থাকবে কী থাকবে না। বাংলায় গণতন্ত্রকে খুন করা হচ্ছে। তাই এই রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালকেও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে হচ্ছে। শনিবার রাতে কৃষ্ণনগরের একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।
তিনি বলেন, ‘এই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে আমাদের ৮৯ জন খুন হয়েছেন। আর লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে পঁয়ত্রিশ জন খুন হয়েছেন। বাংলায় একটা বড় প্রশ্ন দাঁড়িয়ে গিয়েছে, এই রাজ্যে লোকতন্ত্র থাকবে কী থাকবে না। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক সময় বলেছিলেন, গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য বাংলায় পরিবর্তন দরকার। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গণতন্ত্র খুন হচ্ছে। তাই এই রাজ্যের রাজ্যপালের নিরাপত্তার দায়িত্বও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিতে হচ্ছে। এই রাজ্যে গণতন্ত্রের বড় বিপদ। কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, রাজ্যপালের নিরাপত্তার ভার এই রাজ্য সরকারের হাতে দেওয়া নিরাপদ নয়।’
[আরও পড়ুন: দুই জওয়ানের মৃত্যুর বদলা, পাক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ভারত]
উল্লেখ্য, করিমপুর থেকে ফেরার পথে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায় কৃষ্ণনগরে একটি হোটেলে শনিবার রাত্রিযাপন করেন। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মুকুল রায়। সম্প্রতি এই রাজ্যে সিবিআই হানা কিছুটা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন, সেই বিষয়ে মুকুল রায়ের বক্তব্য, ‘এটা বিচারাধীন বিষয়। যা কিছু হচ্ছে, আদালতের নির্দেশেই হচ্ছে। সরকারের নির্দেশে নয়।’
সর্বশেষ খবর
-
ধর্মের নামে উগ্রপন্থার প্রচার! বাংলা-অসম-ত্রিপুরায় জেএমবির বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস, চার্জশিট দিল এনআইএ
-
বাজেটের পর আধুনিকীকরণ, বিশেষ প্যাকেজ ঘিরে উৎসাহিত চা বণিকরা
-
মায়ের গর্ভেই লুকিয়ে শিশুর ভিন্ন ভবিষ্যতের বীজ, অটিজম নিয়ে কী বলছেন চিকিৎসক?
-
‘আর্তনাদ শুনে রিল বানাচ্ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ‘হৃদয়হীন’দের গল্প শোনালেন মৃত্যুঞ্জয়ী
-
শোয়েব আখতারের দাদার শেষকৃত্যে লস্কর ‘জঙ্গি’রা! হাজির পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডও