BJP MLA

সুসম্পর্ক বজায় রাখাই লক্ষ্য! নিজের হাতে চা বানিয়ে স্থানীয়দের খাওয়ালেন বিজেপি বিধায়ক

এই দৃশ্য দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। মুহূর্তেই বিধায়কের এই জনসংযোগ প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২১:০২

options
link
সুসম্পর্ক বজায় রাখাই লক্ষ্য! নিজের হাতে চা বানিয়ে স্থানীয়দের খাওয়ালেন বিজেপি বিধায়ক
৫ জুলাই, রবিবার। চা বানিয়ে পরিবেশন করছেন বিধায়ক। ছবি : সুশান্ত পাল।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ-সরল সম্পর্ক বজায় রাখাই লক্ষ্য। রবিবার সাঁইথিয়া বিধানসভার অন্তর্গত সিউড়ি ২ ব্লকের পুরন্দরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাজে আপ্লুত স্থানীয়রা। তিনি হঠাৎ একটি চায়ের দোকানে ঢুকে নিজের হাতে চা বানিয়ে উপস্থিত মানুষকে পরিবেশন করেন। এই দৃশ্য দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। মুহূর্তেই বিধায়কের এই জনসংযোগ প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

Advertisement

কৃষ্ণকান্ত সাহার পরিবার দীর্ঘদিন চায়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা আনন্দমোহন সাহা বহু বছর ধরে মহম্মদবাজার ব্লকের ডেউচা এলাকায় চায়ের দোকান চালান। সেই পারিবারিক ঐতিহ্যের সঙ্গে আজও নিজেকে যুক্ত রেখেছেন বিধায়ক। জনজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। রবিবার স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা সমস্যা, অভিযোগ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন বিধায়ক। এরপর দোকানে নিজের হাতে চা বানিয়ে উপস্থিত সকলকে পরিবেশন করেন তিনি। তাঁর এই আন্তরিক আচরণে খুশি হন স্থানীয় মানুষ। অনেকেই বলেন, জনপ্রতিনিধি হয়েও সাধারণ মানুষের মতো মিশে যাওয়ার এই মানসিকতা তাঁকে আরও আপন করে তুলেছে।

Advertisement

ছেলে বিধায়ক হওয়ার পরেও চায়ের দোকান চালান বাবা আনন্দমোহন সাহা। সম্প্রতি তাঁর চা বানিয়ে ক্রেতাদের পরিবেশন করার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। রবিবারের ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, মানুষের কাছাকাছি থেকে সহজভাবে মিশে যাওয়ার এই উদ্যোগ বিধায়কের জনসংযোগকে আরও দৃঢ় করেছে। পাশাপাশি এলাকার মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

Advertisement

যদিও কৃষ্ণকান্ত সাহা বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, “আমার এবং আমার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চায়ের সম্পর্ক রয়েছে। তাছাড়া গত ১৫ বছর এবং তার আগের ৩৪ বছরে নেতারা কর্মীদের উদ্দেশে শুধুমাত্র গাড়ির কাচ নামিয়ে হাত নাড়িয়ে চলে গিয়েছে। কিন্তু বিজেপি মানুষের দল, তারা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে। আমি কর্মীদের নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে আমি যা পারি সেটা নিজেই করেছি, এর বেশি কিছু নয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.