সম্যক খান, মেদিনীপুর: তুচ্ছ রাজনৈতিক মতবিরোধ। রেলপ্রকল্প উদ্বোধনে সৌজন্যের নজির। মেদিনীপুরে ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধনে একই মঞ্চে দেখা গেল সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এবং বিধায়ক জুন মালিয়াকে। রবিবার সকালে ফিতে কেটে এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন দু’জনে।

রবিবার মেদিনীপুর স্টেশনে ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন হয়। ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংসদ হিসাবে আমন্ত্রণ পান দিলীপ ঘোষ এবং বিধায়ক জুন মালিয়া। সাংসদ বিজেপির সদস্য। তবে বিধায়ক ঘাসফুল শিবিরের কর্মী। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতবিরোধ রয়েছে দু’ জনের। তা সত্ত্বেও রেলের অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে দেখা গেল দিলীপ ঘোষ এবং জুন মালিয়াকে (June Malia)। মঞ্চে ওঠার আগে দুই দলের কর্মী-সমর্থকরা রাজনৈতিক স্লোগান দেন। একইসঙ্গে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারই মাঝে প্রদীপ জ্বালিয়ে, ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘৪৭ বছর বয়সেও অন্তঃসত্ত্বা?’, পোশাক নিয়ে নেটদুনিয়ায় কটাক্ষের শিকার কাজল]
রেলপ্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তৃণমূল বিধায়ক জুন মালিয়া বলেন, “উন্নয়নে যাতে বাধা না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখব। বাংলা, দেশের উন্নয়নমূলক কাজে রাজনীতি করা উচিত নয়। তাই রাজনীতির রং না দেখে সাংসদের সঙ্গে একই মঞ্চে এসেছি।” রেলের অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগানের বিষয়ে মুখ খোলেন জুন। তিনি জানান, “এগুলিতে আমি বেশি গুরুত্ব দিই না।”

ওই মঞ্চ থেকে যদিও রাজ্য সরকারকে কিছুটা খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কেন্দ্র সরকারের অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিধায়ক এবং সাংসদকে ডাকা হয় তা তিনি যে দলেরই হোন না কেন। রাজ্য সরকারের এটা দেখে শেখা উচিত। এখানকার সরকার বা পার্টি সেটা শিখতে চায় না।” জুনের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক সৌজন্য নিয়ে আপাতত সর্বত্র চলছে জোর আলোচনা।
[আরও পড়ুন: পয়লা বৈশাখেই খুলছে শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশন! শুরু-শেষের সময় বাড়তে পারে ইস্ট-ওয়েস্টে]
সর্বশেষ খবর
-
বয়স সংখ্যামাত্র! সাড়ে ৬ বছর পর ক্লাবের জার্সিতে অভাবনীয় কীর্তি মেসির
-
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
-
তিব্বতে ফের হ্রদ ভাঙলে ভাসবে বিহার! নদীগুলিতে চলছে কড়া নজরদারি, বাড়ছে আতঙ্ক
-
মাঝ সমুদ্রে ট্রলারডুবি, ৯ মৎস্যজীবীর পরিবারকে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
বিএসএস নাম প্রত্যাহার করায় কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে মোহনবাগান, এক পয়েন্ট দরকার ইস্টবেঙ্গলের