Bankura

বিজেপি কর্মীকে ‘না পেয়ে’ দাদাকে খুনের অভিযোগ, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়

বিজেপি কর্মীর দাদাকে রাস্তায় ফেলে খুনের অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসের খটনগর গ্রামে। মৃতের নাম সুজয় রং। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
বিজেপি কর্মীকে ‘না পেয়ে’ দাদাকে খুনের অভিযোগ, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়
প্রতীকী ছবি।

বিজেপি কর্মীর দাদাকে রাস্তায় ফেলে খুনের অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসের খটনগর গ্রামে। মৃতের নাম সুজয় রং। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মৃতের ভাইকে খুনের উদ্দেশ্যে দুষ্কৃতীরা হানা দিয়েছিল! তাঁকে না পেয়ে ওই বিজেপি কর্মীর দাদাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেস এই খুনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Advertisement

মৃত সুজয় রংয়ের ভাই প্রসাদ রং এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী। বছর ৪০ বয়সের সুজয়ও বিজেপি করেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার রাতে ডিম কেনার জন্য গ্রামের কলোনি শিবতলা এলাকায় গিয়েছিলেন সুজয়। সেসময় নয়ন রায় ও পিন্টু রায় তাঁকে আটকে রাস্তায় ফেলে ব্যাপক মারধর করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। ওই যুবককে উদ্ধার করে ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সুজয়কে মৃত ঘোষণা করা হয়। খবর দেওয়া হয় ইন্দাস থানায়। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

Advertisement

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। মৃতের স্ত্রী ঝুমা রং ইন্দাস থানায় লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, তাঁর দেওর প্রসাদ রং বিজেপির সক্রিয় কর্মী। সেই রাজনৈতিক আক্রোশেই তৃণমূলের নেতারা পরিকল্পিতভাবে তাঁর স্বামীকে মারধর করে খুন করেছেন। অভিযোগের তির তৃণমূলের মঙ্গলপুর অঞ্চলের সভাপতি জীবন মণ্ডল, পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য পিন্টু রায় এবং খটনগরের বুথ সভাপতি নয়ন রায়ের দিকে।

Advertisement

ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধারা বলেন, “গতকাল রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পরিকল্পনা করেই আমাদের এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। একটাই অপরাধ, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি করা যাবে না। তাই প্রাণ কেড়ে নিল তৃণমূলের নেতারা।” অন্যদিকে, পালটা আক্রমণে তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্দাস ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ হামিদ বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। পিন্টু রায় তৃণমূলের কেউ নয়—আগেও ছিল না, এখনও নয়। অঞ্চল সভাপতি বা বুথ সভাপতির নাম জড়িয়ে বিজেপি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যাচার করছে। এটা পুরোপুরি বিজেপির রাজনৈতিক নাটক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.