Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
Anandapur Fire

আনন্দপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে শুভেন্দুর মিছিলে ডিজে! ‘এটাই ওদের সংস্কৃতি’, নিন্দায় সরব তৃণমূল

নরেন্দ্রপুর থানার ২০০ মিটার দূরে মিছিল শেষ করা হয়। সেখানে সভা করেন শুভেন্দু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৪:৩৬

options
link
আনন্দপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে শুভেন্দুর মিছিলে ডিজে! ‘এটাই ওদের সংস্কৃতি’, নিন্দায় সরব তৃণমূল zoom

আনন্দপুর কাণ্ডের (Anandapur Fire) প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার হাই কোর্টের বেঁধে দেওয়া রুটে মিছিল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই মিছিলেই বাজানো হল ডিজে। তা নিয়ে নিন্দায় সরব তৃণমূল। খোঁচা দিয়ে স্থানীয় নেতারা বললেন, “এটাই বিজেপির সংস্কৃতি।” 

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur Fire) পর পেরিয়েছে বেশ কয়েকদিন। শেষপাওয়া খবর অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৫। মৃত্যু আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় রাজ্য ও শাসকদলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আনন্দপুর যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরবর্তীতে অনুমতি চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। শর্তসাপেক্ষে দেওয়া হয় অনুমতি। সেখানেই বেঁধে দেওয়া হয় রুট। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন মিছিল করে বিজেপি। নরেন্দ্রপুর থানার ২০০ মিটার দূরে মিছিল শেষ করা হয়। সেখানে সভা করেন শুভেন্দু। শোনা যাচ্ছে, মর্মান্তিক এই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজন করা এই মিছিলে রীতিমতো ডিজে বাজায় বিজেপি। বিষয়টি জানা জানি হতেই স্বাভাবিকভাবেই নিন্দার ঝড়।   

Advertisement

উল্লেখ্য়, প্রতিদিনের মতো গত রবিবার রাতেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদের কারখানা, গুদামে কর্মীদের আনাগোনা লেগে ছিল। লেলিহান শিখা নিমেষে বদলে দিয়েছে সেই চির পরিচিত ছবি। এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসস্তূপ আর পোড়া গন্ধ। তার মধ্যেও প্রিয়জনের খোঁজ চালাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিবার। যদিও সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া ২৫টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। নিহতদের সঠিক পরিচয় জানার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন। আর সেই কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রশ্নে মুখে ওয়াও মোমো। ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর বুধবার এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয়েছে পাশের গুদামের উপর। নিহত ৩ কর্মীর পরিবারের পাশেও দাঁড়ায় মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.