Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
CV Ananda Bose

‘আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল’, প্রশাসনকে নিশানা করে ৫ দিন পর আনন্দপুরে রাজ্যপাল

আনন্দপুরের ঘটনা মর্মান্তিক। তদন্তে ঘটনার সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। এমনই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আজ, শুক্রবারই তিনি আনন্দপুরের পুড়ে যাওয়া কারখানা, গোডাউন পরিদর্শনে ঘটনাস্থলে যাবেন। সেই কথা জানিয়েছিলেন।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৩:৫৯

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৩:৫৯

options
link
‘আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল’, প্রশাসনকে নিশানা করে ৫ দিন পর আনন্দপুরে রাজ্যপাল zoom
আনন্দপুর যাচ্ছেন রাজ্যপাল। নিজস্ব চিত্র

আনন্দপুরের (Anandapur Incident) ঘটনা মর্মান্তিক। তদন্তে ঘটনার সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। এমনই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। আজ, শুক্রবারই তিনি আনন্দপুরের পুড়ে যাওয়া কারখানা, গোডাউন পরিদর্শনে ঘটনাস্থলে যাবেন। সেই কথাও জানা গিয়েছিল। তারপরই এদিন বেলায় তিনি আনন্দপুরে পৌঁছন। তার আগে মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুদিনে বারাকপুরের গান্ধীঘাটে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন বোস। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানিয়েছেন তিনি। 

কলকাতার উপকণ্ঠ আনন্দপুর এলাকায় একটি মোমো কারখানা ও গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন লাগে। রাতে বহু কর্মী সেখানে ছিলেন। ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৫ টি দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে ডেকরেটর সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল, বুধবার তাকে বারুইপুর আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। এবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মোমো সংস্থার দুই আধিকারিক। ওই সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট ও ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর। গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে নরেন্দ্রপুর থেকেই তাঁদের পাকড়াও করেছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

এদিন সকালে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে গান্ধীঘাট গিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুদিন উপলক্ষ্যে রাজ্যপাল সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছেন। ওই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক, দুঃখজনক। প্রশাসন তদন্ত করলে ঘটনার সঠিক কারণ জানা যাবে। সেই কথা জানিয়েছেন বোস। ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশাসনকেও নিশানা করেছেন তিনি। আনন্দপুরে যাবেন, সেই কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। বারাকপুরের কর্মসূচির পর আনন্দপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তনি। বেলা ১২টার পর তিনি আনন্দপুর পৌঁছে যান। ঘটনাস্থল ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। 

অন্যদিকে, আনন্দপুরের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ নেমে ইএম বাইপাসের কাছে গড়িয়ার ঢালাই ব্রিজ থেকে এদিন মিছিল শুরু হয়। নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত ওই মিছিল যাবে। মিছিল থেকে দোষীদের গ্রেপ্তারির দাবি তুলেছেন শুভেন্দু। এদিন সকালে আনন্দপুরের অকুস্থলে গিয়েছিল এসইউসি-র প্রতিনিধি দল। পুলিশ তাঁদের আগেই আটকে দিয়েছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.