Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
Anandapur Fire

এবার গ্রেপ্তার মোমো সংস্থার ২ আধিকারিক, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য চাইছে পুলিশ

আনন্দপুরের মোমো কারখানা ও গুদামে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ২। আগেই ডেকরেটর সংস্থার মালিককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মোমো সংস্থার দুই আধিকারিক। ওই সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট ও ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১১:৩৮

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১১:৩৮

options
link
এবার গ্রেপ্তার মোমো সংস্থার ২ আধিকারিক, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য চাইছে পুলিশ zoom
ফাইল চিত্র।

আনন্দপুরের মোমো কারখানা ও গুদামে আগুনের (Anandapur Fire) ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ২। আগেই ডেকরেটর সংস্থার মালিককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মোমো সংস্থার দুই আধিকারিক। ওই সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট ও ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর। গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে নরেন্দ্রপুর থেকেই তাঁদের পাকড়াও করেছেন তদন্তকারীরা।

ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে খবর। আজ, শুক্রবারই দু’জনকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে ধারাবাহিক জেরা করা হবে, সেই মর্মে আদালতে পুলিশ আবেদন জানাবে। এমনই কথা প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাতের ঘটনার পরে মঙ্গলবার নরেন্দ্রপুরের এলাচি থেকে গ্রেপ্তার হন ওই জায়গার এবং ডেকরেটর সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাস। বুধবার তাকে বারুইপুর আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি আবার আদালতে পাঠানো হবে। তার আগেই পুলিশ ওই মালিককে জেরা করে কারখানা ও গুদাম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার দিন কারখানা ও গুদামের দায়িত্বে কারা ছিলেন? বুধবার রাত থেকেই নাজিরাবাদের ঘটনাস্থলে জারি করা হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা। তা বলবৎ থাকবে আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের রাতে কারখানা ও গুদামের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। আগুন লাগার পর ভিতরে থাকা কর্মীরা প্রাণপণে বাইরে বেরনোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় তাঁরা জীবন্ত দগ্ধ হন। আগুন লাগার পর, অনেকে বাড়ির লোকেদের মোবাইলে সেই খবর দিয়ে আগাম মৃত্যুর কথাও জানিয়েছিলেন! সেই মর্মান্তিক বিষয়ও উঠে আসছে। ভিতরে শ্রমিকদের রেখে কেন কারখানার দরজা বাইরে থেকে আটকে দেওয়া হবে? এই অমানবিক আচরণ কেন? সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উঠেছে। কতজন ওই রাতে কারখানার ভিতরে ছিলেন? 

আনন্দপুরের মোমো কারখানা ও গুদামে আগুন লাগার পর পাঁচদিন কেটে গিয়েছে। একের পর এক দেহাংশ উদ্ধার হচ্ছে ‘জতুগৃহ’ থেকে। আরও চারটি দেহাংশ ধ্বংসস্তূপ থেকে পাওয়া গিয়েছে। এখনও অবধি মোট ২৫টি দেহাংশ উদ্ধার হল বলে খবর। দেহাংশগুলির পরিচয় জানতে ডিএনএ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.